দুই বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২১; সময়: ৯:৫২ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : বড় বোনকে ধর্ষণের পর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছোট বোনকেও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পাবনার দেবোত্তর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা চঞ্চলের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। চঞ্চলের বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

২০১০ সালে মোহাইম্মীন হোসেন চঞ্চল ভুক্তভোগীর বড় বোন আদুরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে বিয়ের কথা বলে পাবনা শহরের এক বাড়িতে ধর্ষণ করেন। পরে সে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

এখানেই থামেননি চঞ্চল। শোকাহত পরিবারটিকে সান্ত্বনা দেয়ার নামে ওই বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন। একপর্যায়ে ছোট বোনের সাথেও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সম্প্রতি বড় বোনের মত একই কায়দায় পাবনা শহরে নিয়ে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে রাখে চঞ্চল।

পরে ভিডিও প্রচারের ভয় দেখিয়ে চঞ্চল চেয়ারম্যান একাধিকবার ভুক্তভোগীর সাথে শারীরিক সর্ম্পক করে। বিয়ে না হলেও চঞ্চল তাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে ভয়ভীতি দেখানোরও অভিযোগ ভুক্তভোগীর।

সম্প্রতি ভুক্তভোগীর মৃত বড় বোনের একটি ডায়েরি খুঁজে পায় তার পরিবার। পরিবারের দাবি, সেই ডায়েরি থেকে জানা যায় বড় বোনের মৃত্যুর জন্য দায়ী চঞ্চল।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, যখন আমার বোনের ডায়েরি পাই তখন এই ডায়েরি নিয়ে প্রশ্ন করলে সে অনেক তালাবাহানা শুরু করে এবং আমি নিশ্চিত হই যে সে এভাবে আমার বোনকে হত্যা করেছে।’

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ভুক্তভোগীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেন চেয়ারম্যান। পারিবারিক কলহের কারণে সম্প্রতি স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছেন বলেও জানান।

আবু হামিদ মোহাম্মদ মোহাইম্মীন হোসেন চঞ্চল বলেন, তার সাথে বনিবনা না হওয়ার কারণে তাকে আমি ডিভোর্স দিয়েছি। আমার সম্মানহানী করার জন্য তারা এই কাজগুলো করে যাচ্ছে।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার স্নিগ্ধ আক্তার বলেন, তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

  • 199
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে