রাজশাহীতে ফের বেড়েছে আলুর দাম, কমেছে পেঁয়াজ-সবজির

প্রকাশিত: নভেম্বর ১৩, ২০২০; সময়: ১:২৮ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত সপ্তাহে রাজশাহীতে আলুর দাম ছিলো কেজি প্রতি ৩৮ টাকা। শুক্রবার কেজি প্রতি আলুর দাম বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা। খুচরা বাজারে ৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে আলু। অন্যদিকে মাছের বাজারে দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

বাজারে এসছে শীতের প্রচুর সবজি। গত সপ্তাহের চেয়ে শীতের আগাম সবজির দাম কমেছে। ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি প্রতি কমেছে সবজির দাম। ২০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে মিলছে সকল সবজি। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) রাজশাহীর সাহেব বাজারে কাঁচাবাজার ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে।

কাঁচা মসলার বাজারে কমেছে পেঁয়াজের দাম। পোঁয়জ প্রতি কেজি ৬৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি, রসুন ১০০ থেকে ১১০ টাকা, আদা ৮০ থেকে ৯০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতিকেজি চিচিঙ্গা-ধুন্দুল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পটল ও ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, শসা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, ফুলকপির দাম কেমে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা।

গাজর ১০০ টাকা, কচুর লতি ৪০ টাকা, কলা প্রতি হালি ২০ টাকা, শিম ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, লাউ ৫০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি ধনিয়া পাতা গত সপ্তাহে ছিলো ২০০ টাকা কিন্তু দাম কমে আর বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে।

এদিকে, সবজির দাম কমায় স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে ক্রেতারা। কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা হলে জানা যায়, আগের চেয়ে অনেক নতুন নতুন সবজি বাজারে এসেছে। সকল সবজি কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে পাচ্ছে ক্রেতারা। কিন্তু আলু দাম বাড়ায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে অনেকের কপালে।

বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, আগের চেয়ে সবজির সরবরাহ বেড়েছে। বিভিন্ন জেলা ও থানা থেকে অনেক সবজি রাজশাহীর বাজারে আসায় দাম কমতে শুরু করেছে। কিন্তু আলুর দাম বাড়ায় সিন্ডিকেট ও বড় মোকামকে দায়ী করছে খুচরা ব্যবসায়ীরা। বাজারে প্রতি আঁটি (মোড়া) শাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২৯ টাকায়।

অপরিবর্তিত রয়েছে চাল, ডাল, তেল, মুরগি ও মাংসের বাজার। প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৯৮ থেকে ১০০ টাকায়। প্রতিকেজি অ্যাংকর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা, চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৪ টাকা কেজি দরে।

আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৩ টাকা, পায়জাম ৬০ টাকা, মিনিকেট ৫৪ থেকে ৫৫ টাকা, নাজির ৬০ টাকা। কাটারিভোগ সিদ্ধ ৭৫ টাকা, কাজল লতা ৬০ টাকা, পোলা-আতপ ও কালোজিরা চাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে।

অপরদিকে প্রতিকেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা বকরি ৬০০ টাকা, গরু মাংস ৫৪০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, সোনালী মুরগি ১৮০টাকা ও দেশি মুরগি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে কয়েক প্রজাতির মাছ কেজি প্রতি দাম বেড়েছে ৫০ টাকা উর্দ্ধে রুই ২২০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি, কাতল ২২০ থেকে ৪৮০ টাকা, বোয়াল ৪৫০ থেকে ৮৫০ টাকা, চিতল ৬৫০ টাকা, সিলভর ১২০ থেকে ২১০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১২০ টাকা নদীর পাঙ্গাস ১০০০ হাজার টাকা, শোল ২৫০ টাকা, বাগাড় ৬৫০ থেকে ৮৬০ টাকা, ইলিশ ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। নদী ও দেশি প্রজাতির মাছে ৪০০ থেকে ১০০০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • পৌরসভায় আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা
  • দেশে করোনায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু
  • নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ৪
  • সাধারণ মানুষকে ঋণ দেওয়া ছেড়ে দিচ্ছে ব্যাংক!
  • রাজশাহী বিভাগে নতুন ৭০ জনের করোনা শনাক্ত, সুস্থ ৪০
  • রাজশাহী অঞ্চলে আবারো বাড়ছে সংক্রমণ
  • সংবাদ প্রকাশের জেরে রাবি সাংবাদিকের নামে থানায় অভিযোগ
  • রাজশাহীতে ১১শ পরিবারের মাঝে ফুড প্যাকেজ ও হাইজিন কিট বিতরণ
  • ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ এগোলো বাংলাদেশ
  • ম্যারাডোনাকে ফুলের মুকুট উপহারে পেলের শেষ শুভেচ্ছা
  • মৃত্যু বাড়ছে ইতালি ও মেক্সিকোতে
  • ‘দিল্লি চলো’ আন্দোলনে আরো ৬ রাজ্যের কৃষক
  • ৩৫ বছর পর মুক্তি মিলছে শিকলে বন্দি কাভানের!
  • ‘ও’ গ্রুপের রক্তে করোনা সংক্রমণ কম
  • বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে বিতর্ক ‘ভিন্ন উদ্দেশ্যে’
  • উপরে