প্রথম আইফোন কেমন ছিল

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২২; সময়: ২:১৪ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ২০০৭ সালের ৯ জানুয়ারি স্টিভ জোবস দুনিয়াকে দেখিয়েছিলেন প্রথম আইফোন। সেবারও চমকে গিয়েছিল প্রযুক্তি বিশ্ব। টাচস্ক্রিন আইপডের সঙ্গেই এই ডিভাইস ইন্টারনেট কমিউনিকেটর ও মোবাইল হিসাবে ব্যবহার করা গিয়েছিল। এর পরের ইতিহাস সকলের জানা।

অ্যাপল ছিল একটি কম্পিউটার কোম্পানি। আইফোন লঞ্চের পরে তা স্মার্টফোন কোম্পানিতে পরিণত হয়। এখনও কম্পিউটার বিক্রি করলেও এই মুহূর্তে অ্যাপেলের প্রধান ব্যবসা স্মার্টফোন বিক্রি।

অ্যাপলের প্রথম আইফোন সম্পর্কে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এই প্রতিবেদনে দেখে নিন-

টু-জি কানেক্টিভিটি-

প্রথম আইফোনে টু-জি কানেক্টিভিটি দিয়েছিল অ্যাপল। সেই সময় ব্ল্যাকবেরি ও নকিয়া স্মার্টফোনে থ্রি-জি কানেক্টিভিটি সঙ্গেই কোয়ার্টি কি-বোর্ড পাওয়া যেত। তবে প্রথম আইফোনে ছিল ২.৪ গিগাহার্জ ওয়াইফাই সাপোর্ট।

ক্যামেরা-

প্রথম আইফোনে ব্যবহার হয়েছিল একটি ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এটি ব্যবহার করে শুধুমাত্র ছবি তোলা যেত। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের কোনো সুযোগ ছিল না। আইফোন ৪-এ প্রথম সেলফি ক্যামেরা দেখা গিয়েছিল।

ব্যাটারি-

সেই সময় অন্যান্য সব ফোনে রিমুভেবল ব্যাটারি ব্যবহার হলেও আইফোনে তা ছিল না। এখনও পর্যন্ত সব আইফোনেই এই মন্ত্র ব্যবহার করেছে অ্যাপল।

ব্লুটুথ হেডসেট-

২০০৭ সালে ব্লুটুথ হেডসেট তৈরি করেছিল অ্যাপল। আইফোনের সঙ্গে কানেক্ট করে এই হেডসেটের মাধ্যমে ভয়েস কল করা ও গান শোনার সুবিধা পাওয়া যেত। পরে এয়ারপোডের হাত ধরে বাজারে আসে কোম্পানির প্রথম ব্লুটুথ হেডসেট।

মেমোরি কার্ড-

সেই সময় সব ফোনে মেমোরি কার্ড ব্যবহারের স্লট থাকলেও আইফোন থেকে তা বাদ গিয়েছিল। ২০০৭ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত কোন আইফোনেই স্টোরেজ বাড়ানোর সুযোগ পাওয়া যায়নি।

অ্যাপ স্টোর-

প্রথম আইফোন লঞ্চের সময় সেই ফোনে কোনো অ্যাপ স্টোর ছিল না। অর্থাৎ ফোন কেনার সময় যে অ্যাপ ইনস্টল ছিল তাই ব্যবহার করা যেত। আইফোন ৩জি লঞ্চের সময় অ্যাপ স্টোর আত্মপ্রকাশ করে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে