দাপুটে জয়ে বিশ্বকাপে শুভ সূচনা ওমানের

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৭, ২০২১; সময়: ৯:২১ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ঘরের মাঠে পাপুয়া নিউগিনিকে পাত্তাই দিল না ওমান। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের উদ্বোধনী ম্যাচে রোববার (১৭ অক্টোবর) পিএনজির বিপক্ষে বিনা উইকেটে জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা।

আসাদ ভালার নেতৃত্বাধীন পাপুয়া নিউগিনি প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে নেপালকে ১৩০ রানের টার্গেট দিয়েছিল। কিন্তু স্বাগতিকদের দুই ওপেনার আকিব ইলিয়াস এবং জাতিন্দার সিংয়ের অনবদ্য ব্যাটে ভর করে কোনো উইকেট না হারিয়েই ৩৮ বল হাতে রেখেই জয়ের রেকর্ড গড়ে তারা। আকিব ইলিয়াস ৪৩ বলে ৫০ আর জাতিন্দর সিং ৪২ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে পিএনজি প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারানোর মিছিলে অধিনায়ক আসাদ ভালার অর্ধশতকে ভর করে শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের ১৩০ রানের টার্গেট দিয়েছিল।

প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমে প্রতিপক্ষকে যেন ক্যাচ প্রাকটিচ করাচ্ছিলেন পাপুয়া নিউগিনির ব্যাটাররা। পুরো ইনিংসে তাদের আউট হওয়া ৯ ব্যাটসম্যানের মধ্যে পাঁচজনই ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে এদিন ব্যাটিংয়ে নেমেই পরপর ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল পাপুয়া নিউগিনি। তবে এরপর দলীয় অধিনায়ক আসাদ ভালার নৈপুণ্যে ঘুরে দাঁড়ায় পিএনজি।

আল আমেরাত ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক ওমান। পরপর দুই সাফল্য পেয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত যে ঠিক ছিল সেটারই প্রমাণ দিচ্ছিলেন স্বাগতিকরা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন পেসার বিলাল খান। তার শিকার হন টনি উরা। ঠিক পরের ওভারে পিএনজির অন্য ওপেনার লেগা সিয়াকাকে আউট করেন ওমানের আরেক পেসার খালিমুল্লাহ।

তবে দুই উইকেট হারানোর পর দারুণ লড়ছেন কাপ্তান আসাদ ভালা। বিশ্বকাপের এবারের আসরের প্রথম অর্ধশতকও তার দখলে গেল। তবে ব্যক্তিগত ৪৬ বলে ৫৬ রান করার পর সাজঘরে ফিরে গেছেন তিনিও। ভালার পর আর কেউই দুই অঙ্কের ঘর পেরোতে পারেননি।

এবারই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছে পাপুয়া নিউগিনি। অন্যদিকে ২০১৬ সালের আসরেও প্রথম পর্বে সুযোগ পেয়েছিল ওমান। যদিও টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে ওমানের চেয়ে তিন ধাপ ওপরে রয়েছে পিএনজি।

করোনার কারণে ভারত থেকে এবারের আসর সরে যাওয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করছে ওমান। তবে স্বাগতিক থাকছে ভারতই। আইসিসির ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যার আয়োজক কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশ নয়।

টি-টোয়েন্টির এবারের আসরে ১৬টি দল অংশ নিলেও বাছাইপর্বে খেলবে র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা আট দল। দুই গ্রুপ থেকে দুটি করে মোট চারটি দল পাবে মূল পর্বে খেলার টিকিট। এছাড়া র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ আট দল সরাসরি খেলবে সুপার টুয়েলভ পর্বে। আগামী ২২ অক্টোবর বাছাইপর্ব শেষে ২৩ অক্টোবর শুরু হবে সুপার টুয়েলভের জমজমাট লড়াই। ১২ দলের এই পর্বেও রয়েছে দুটি গ্রুপ। প্রতি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল উঠবে সেমিফাইনালে। ১৪ নভেম্বর দুবাইয়ে ফাইনাল।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে