ফতুল্লা স্টেডিয়াম যেন কচুরিপানার লেক

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১; সময়: ১১:২৬ am |
খবর > খেলা

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম, সবার কাছে যা ফতুল্লা স্টেডিয়াম হিসেবেই পরিচিত। অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে আন্তর্জাতিক এই ক্রিকেট মাঠটি।

দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। স্টেডিয়ামের মূল ফটক থেকে আউটার স্টেডিয়ামসহ পুরো এলাকা কচুরিপানায় ভরে গেছে। মূল মাঠেও ঢুকে পড়েছে পানি। নষ্ট হয়েছে সিঁড়ি, ছাউনি, স্কোরবোর্ড, সাধারণ ও ভিআইপি গ্যালারি।

একসময় আন্তর্জাতিক ম্যাচ নিয়ে ব্যস্ততা থাকলেও গত বছর চারেক ধরে সব বন্ধ। ফতুল্লায় সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬। দুটি টেস্ট, ১০টি ওয়ানডে ও চারটি টি-২০ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে এখানে। এদিকে, মূল স্টেডিয়াম লাগোয়া আউটার স্টেডিয়াম যেখানে খেলোয়াড়রা সাধারণ অনুশীলন করত, সেটাও জলমগ্ন।

এর আগে সরেজমিন গিয়েও দেখা যায়, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্টেডিয়ামটির বেহাল দশা। নেই কোনো ক্রিকেট পিচ। এবড়োখেবড়ো মাঠ, যা খেলার অনুপযোগী।ইলেকট্রুনিক স্কোরবোর্ড, নিষ্কাশন ব্যবস্থা, ফ্লাডলাইট, সাংবাদিকদের বসার প্রেসবক্স, ভিআইপি ও দর্শক গ্যালারির অবস্থা নাজুক। চেয়ার ভেঙে পড়ে আছে। টয়লেটে মাকড়শা বাসা বেঁধেছে। স্টেডিয়ামে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

এদিকে, শুধু ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামই নয় দেশের বেশির ভাগ স্টেডিয়ামগুলোরই একই অবস্থা। এমনকি ‘হোম অব ক্রিকেট গ্রাউন্ড’ খ্যাত মিরপুরের অবস্থাও খুব বেশি ভালো নয়। আর তাই স্টেডিয়ামের সংখা বাড়ানোর চেয়ে রক্ষণাবেক্ষণের দিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়ার দাবি সংশ্লিষ্টদের। অন্যদিকে, একটি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের যদি এমন পরিস্থিতি হয়, তাহলে জেলা পর্যায়ের অন্যান্য স্টেডিয়ামগুলোর কি অবস্থা হতেপারে, তা বোঝাই যাচ্ছে।

নিঃসন্দেহে এমন অবস্থা দেশের ক্রিকেট কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনারই ইঙ্গিত বহন করে। আর তাই ক্রীড়ামোদিও সংগঠকদের দাবি, অবিলম্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যাতে করে স্টেডিয়ামগুলো আবারও প্রাণ ফিরে পায়।

 

  • 27
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে