বিসিবির এজিএম, গুরুত্ব পাবে নির্বাচন

প্রকাশিত: আগস্ট ২৬, ২০২১; সময়: ১১:৩২ am |
খবর > খেলা

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : স্বচ্ছতা আর জবাবদিহি নিশ্চিত করে সঠিক পরিকল্পনার বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে বোর্ড। সে কারণেই গঠনতন্ত্রের নিয়ম মেনে বার্ষিক সাধারণ সভায় আলোচনার কেন্দ্রে থাকে প্রধান নির্বাহী আর প্রধান অর্থ কর্মকর্তার প্রতিবেদন।

বার্ষিক সাধারণ সভার আগে এমনটাই জানিয়েছিলেন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী। একই গঠনতন্ত্রে বলা আছে প্রত্যেক অর্থবছর শেষের ১২০ দিনের মধ্যেই আয়োজন করতে হবে বিসিবির এজিএম। তবে কাজীর গরু কেতাবে থাকলেও বাস্তবে নেই। গত ১১ বছরে এই সভা হয়েছে মাত্র তিনবার। পেশাদারিত্বের যুগে প্রবেশ করা বিসিবি ঠিক কী কারণে সময়মতো এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটা করতে ব্যর্থ?

বিসিবির সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, ‌’গত দুই বছর করোনার কারণে পিছিয়ে গেছে। যদিও প্রতি বছরেরটা প্রতি বছর করে ফেললে সুবিধা হয়। বিসিবি কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়। এটা একটা ক্রীড়া সংস্থা, এখানে অনেক প্রতিশ্রুতি থাকে, বিভিন্ন ইভেন্ট থাকে। সবকিছুর সঙ্গে সামঞ্জস্য করে নিয়মিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। নিয়মিত করার চেষ্টা থাকে কিন্তু তারপরেও দেরি হয়ে যায় অনেক সময়।‌’

সবশেষ ২০১৭ সালের ২ অক্টোবর কাউন্সিলরদের নিয়ে আয়োজিত হয়েছে বিসিবির বার্ষিক সাধারণ সভা। তারও আগে ২০১২ সালের মার্চে বসেছিল এজিএম। কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যাতত্ত্ব মেনে না চললেও একটা সূত্রে মিলে যায় হিসেব। সভাগুলোর পরপরই অনুষ্ঠিত হয়েছে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন।

রাজধানীর এক পাঁচতারকা হোটেলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশের মোট ১৭০ জন কাউন্সিলর উপস্থিত থাকবেন বিসিবির এজিএমে। তুলে ধরবেন নিজেদের চাওয়া-পাওয়াগুলো। এবারের বার্ষিক সভায় ২০১৭-১৮, ১৮-১৯ ও ১৯-২০ অর্থবছরের পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত যাবতীয় কার্যক্রম ও আর্থিক বিবরণী উপস্থাপন করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়াও আসন্ন নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে আসতে পারে চূড়ান্ত ঘোষণা।

২০০৬-০৭ থেকে শুরু করে ২০১৯-২০ এই ১৪ অর্থবছরে বিসিবির বার্ষিক সভা হয়েছে মাত্র তিনবার। সর্বশেষ এজিএম হয়েছে ২০১৭ সালের ২ অক্টোবর। তার আগেরটি ২০১২ সালের ১ মার্চ। তার আগের এজিএম হয়েছে ২০১০ সালের ২৪ অক্টোবর।

  • 170
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে