পেলের রেকর্ড ভাঙা নিয়ে ভাবছেন না মেসি

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২১; সময়: ১১:৫২ am |
খবর > খেলা

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : হুয়ান রোমান রিকেলমে বলে দিয়েছেন, এবার আর্জেন্টিনাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন তিনি। সাবেক আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারের ধারণা, যে ফর্মে আছেন মেসি, তাতে ২৮ বছরের শিরোপাখরা অবশেষে কাটবে। পূর্বসূরির কথা সঠিক প্রমাণ করতেই যেন আজ নেমেছিলেন লিওনেল মেসি। আজ সকালে কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ ব্যবধানে জেতাতে নিজের সেরা রূপটা দেখিয়েছেন অধিনায়ক।

দুই সতীর্থকে দিয়ে গোল করিয়েছেন, নিজে করেছেন ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত এক গোল। সে গোলেই পেলের রেকর্ডের একদম কাছে চলে গিয়েছেন। আর এক গোল করলেই দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে সর্বোচ্চ গোলদাতা পেলেকে ছুঁয়ে ফেলবেন এই আর্জেন্টাইন। তবে ব্রাজিল কিংবদন্তির রেকর্ড নিয়ে একদমই ভাবছেন না। তাঁর সব চিন্তা আর্জেন্টিনাকে নিয়ে।

আজ ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে ডি-বক্সের ওপর ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। এই কোপাতেই ফ্রি-কিক থেকে একবার গোল করে দেখিয়েছেন মেসি। এরই মধ্যে হেরে বসা ইকুয়েডর তাই বেশ ভালোভাবেই মানব দেয়াল সাজিয়েছিল। কিন্তু মেসির বাঁকানো ফ্রি-কিক সে দেয়াল আটকাতে পারেনি। ঝাঁপিয়ে পড়েও ইকুয়েডর গোলকিপার গালিন্দেজ জালে যাওয়া ঠেকাতে পারেননি।

এই টুর্নামেন্টে এটি মেসির চতুর্থ গোল। এই মুহূর্তে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসিই। এই গোলেই নিজের আন্তর্জাতিক গোলের সংখ্যা ৭৬-এ তুলে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে তাঁর সামনে শুধু একজন, পেলে। তিনবারের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের হয়ে ৭৭ গোল করেছেন। ম্যাচ শেষে তাই এ ব্যাপারে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল মেসির কাছে। সেমিফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষেই রেকর্ডটি ছোঁয়ার বা ছাড়িয়ে সম্ভাবনা যে ভালোভাবেই আছে তাঁর।

মেসির অবশ্য এ নিয়ে ভাবতে বয়েই গেছে। আর্জেন্টিনার হয়ে কিছু জেতার আকাঙ্ক্ষাই বেশি টের পাওয়া গেছে, ‘আমি সব সময়ই বলেছি ব্যক্তিগত পুরস্কার সব সময় পরে। আমরা এখানে অন্য কিছুর জন্য এসেছি। আমাদের একটা লক্ষ্য আছে এবং আমরা সেখানেই দৃষ্টি রাখছি।’

সেমিফাইনালে কলম্বিয়াকে পাচ্ছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়েকে হারাতে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে। ওদিকে ইকুয়েডরকে ৩-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। তাই বলে যে ম্যাচটা খুব সহজে জিতেছে তাঁর দল, এমনটা মনে করছেন না মেসি, ‘সত্যি বলতে এটা খুব কঠিন ম্যাচ ছিল। আমরা জানতাম ইকুয়েডরের সঙ্গে খেলা কত কঠিন। ওদের খুব দ্রুতগতির কিছু খেলোয়াড় আছেন, যাঁরা শারীরিকভাবে শক্তিশালী, তরুণ। আমাদের দ্বিতীয় গোলের আগে এটা বেশ কঠিন লড়াই ছিল।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে