দুঃস্বপ্নের দেশে জয়ের স্বপ্নে বিভোর বাংলাদেশ

প্রকাশিত: মার্চ ১৯, ২০২১; সময়: ১২:৫৯ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : নিউজিল্যান্ডের পুরো দেশটা জুড়েই অসংখ্য নান্দনিক পর্যটন কেন্দ্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এরই মাঝে একটা ওটাগো হারবারের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা ‘সিগনাল হিল।’ ডানেডিন শহরের নান্দনিক সৌন্দর্যের আধার এই পর্যটন কেন্দ্রেই শুক্রবার উন্মোচিত হলো বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি। সেখানে জয়ের ব্যাপারেই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন টাইগার দলপতি তামিম ইকবাল।

অবশ্য নিউজিল্যান্ডে জয়ের আশা করাটা বাংলাদেশের জন্য স্বপ্ন বটে। এখন পর্যন্ত তিন ফরম্যাট মিলিয়ে দেশটিতে ২৬টি ম্যাচ খেলেছে টাইগাররা। জয়ের স্বাদ মেলা তো দূরের কথা, মাঝে মাঝে ম্যাচের ফলাফলই মনে হয়েছে দুঃস্বপ্নের মতো। তবে এবার সেই কঠিন জায়গাতেই জয়ের স্বাদ পেতে মরিয়া বাংলাদেশ দল। লক্ষ্য পূরণে তামিমের বাজি পেস বোলিং ইউনিট, আত্মবিশ্বাস ও আগ্রাসী ক্রিকেট।

এই সিরিজটি আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগের অংশ। নিউজিল্যান্ডকে তাদেরই মাটিতে সব ম্যাচ হারিয়ে ৩০ পয়েন্ট পাওয়ার আশা সম্ভবত দলের সুদূরতম ভাবনাতেও নেই। আপাতত শুধু একটি জয়, অর্থাৎ ১০ পয়েন্ট পেলে সেটাই বরং খুশির খবর। সফর শুরুর আগে থেকেই বাংলাদেশ দলের আবহ সঙ্গীত হয়ে বাজছে সেই একটি জয়।

ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে এমনই নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তিনি জানিয়েছেন, মূলত দুটি কারণে এবার ভিন্ন কিছু করার সাহস দেখতে পাচ্ছে তার দল। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আগে যতবার এসেছি, তার চেয়ে এবার আমাদের পেস বোলিং আক্রমণ ভালো অবস্থায় আছে। অবশ্যই মাঠে ভালো করা লাগবে। কিন্তু এটুকু বলতে পারি, এখন পেস বোলারদের যে গ্রুপটা আছে, তারা খুবই ভালো।

তিনি আরো বলেন, আমার কাছে যেটা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, বিদেশ সফরগুলোতে নিজেদের প্রতি বিশ্বাস। আমাদের দলে এই বিশ্বাস আছে। সবাই কিছু করতে চায়। আমি সেটাই আশা করছি। প্রথম ম্যাচ থেকেই আমাদের লক্ষ্য ভালো করা, সেটা যেন আমরা করতে পারি।

এবারের সফরে প্রস্তুতির কোনো ঘাটতি দেখছেন না তামিম। এ ব্যাপারে তার বক্তব্য, আমরা নিজেদেরকে এবার ভালোভাবে প্রস্তুত করেছি। চেষ্টা করেছি যেন সম্ভাব্য সবকিছু ব্যবহার করতে পারি। প্রথম ম্যাচের আগে আমরা পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত। এই সিরিজ ভালো হোক বা খারাপ, আমাদের মুখ থেকে শুনবেন না যে প্রস্তুতির ঘাটতি ছিল। কথা অনেক কিছু বলতে পারি, কিন্তু পুরো জিনিসটা বাস্তবায়ন করাটা হলো গুরুত্বপূর্ণ।

দলের বোলিং নিয়ে তামিমের ভাষ্য, আমাদের ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে। আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে হবে। আক্রমণাত্মক ক্রিকেট বলতে আবার প্রতি ১০ ওভারে ১০০ রান করতে হবে, সেটা বোঝাইনি। আবার প্রথম ৫ ওভারে ৫ উইকেট নিয়ে নিতে হবে তাও না। ব্যাপারটি হলো, যা-ই করিনা কেন সবকিছুতে ইতিবাচক থাকতে হবে।

তামিম যোগ করেন, আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হল বোলিং বিভাগ। আমি আমাদের নতুন পেসারদের নিয়ে বেশ আশাবাদী। ওরা কঠোর পরিশ্রম করছে। আমি খুব আশাবাদী, ওরা ভালো করবে। আমরা ৫ জন বিশেষজ্ঞ বোলার নিয়েই নামবো।

  • 13
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে