জিন্সের মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দিচ্ছে করোনাভাইরাস?

প্রকাশিত: আগস্ট ২, ২০২০; সময়: ১১:২৪ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে বেশিরভাগ মানুষই ঘরে দিন কাটাচ্ছেন। ফলে তাদের প্রাত্যহিক পোশাক হিসেবে স্বভাবত জিন্স পরছেন না অধিকাংশই।

একইসঙ্গে কার্যকর ও স্বস্তির- এমন পোশাক বেছে নিচ্ছেন বেশিরভাগ মানুষ। এক্ষেত্রে সম্ভবত শরীরের উর্ধ্বাংশে ব্লেজার বা ব্লাউজ আর নিচে পাজামা প্যান্ট কিংবা লেগিংস হয়ে উঠেছে তাদের প্রথম পছন্দ। এমন পোশাকে বাসায় যেমন আরামে থাকছেন, আবার না পাল্টেই ভিডিও কলে সারতে পারছেন অফিস।

এক কথায়, পোশাক নির্বাচনে স্বাচ্ছন্দ্যকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন ভোক্তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজার গবেষণা কোম্পানি এনপিডি গ্রুপের অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রি অ্যানালিস্ট মারিয়া রুগোলো বলেন, ‘কোভিড-১৯-এর কালে যারা বাসা থেকেই অফিস করছেন, তারা কাজের সময় ও এর বাইরের সময়ের জন্য একই ধরনের পোশাক কিনছেন।’

জিন্স পরে কাজ করা কি অস্বস্তির?

অ্যাপারেল মার্কেটের বাকি পণ্যের তুলনায় জিন্সের বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে কমছে বলে জানিয়েছেন মারিয়া। তাই টিকে থাকতে হলে বর্তমান চাহিদার সঙ্গে ডেনিমকে খাপ খাওয়ানোর পরামর্শ তার।

‘স্ট্রেচের জাদু কাজে লাগিয়ে স্বস্তিদায়ক খাত হিসেবে নিজের জায়গা গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে জিন্সের,’ বলেন মারিয়া।’

ট্রু রিলিজন, লাকি ব্র্যান্ড ও জি-স্টার র’সহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশকিছু ডেনিম-প্রধান রিটেইলার মহামারিটির শুরু হওয়ার পর ইতোমধ্যেই দেউলিয়াত্বের তালিকাভুক্ত হয়ে গেছে। সুদীর্ঘদিন দোকান বন্ধ থাকায় এবং ক্যাজুয়াল পোশাক হিসেবে ভোক্তার পছন্দ বদলে যাওয়ায় জিন্স বিক্রেতারা পড়েছেন ব্যাপক ক্ষতির মুখে।

অথচ ব্যবসার নিরন্তর উঠা-নামা বেশ কয়েক বছর ধরে দেখা গেলেও, মহামারি শুরুর আগে জিন্সের বাজার বেশ উর্ধ্বমুখি ছিল। জিন্স, বিশেষ করে পুরুষের কমদামি ডেনিম ও জিন্স সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ ভালো ব্যবসা করছিল।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি ইউরোমনিটর ইন্টারন্যাশনালের কনসালট্যান্ট আয়াকো হোমা বলেন, কর্মক্ষেত্রের পোশাক হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকায় বেশ উন্নতির দিকে যাচ্ছিল জিন্স ব্যবসা।

‘যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ড্রেস কোড দিন দিন শিথিল হয়ে ওঠায় দেশটির ভোক্তারা জিন্সের ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছিলেন,’ বলেন হোমা।

কিন্তু করোনা পরিস্থিতি সেই প্রবণতায় বড় বাধা হয়ে এসেছে। তবে জিন্সের ‘মৃত্যু ঘোষণা’ করা এখনই ঠিক হবে না বলে জানান তিনি।

হোমা বলেন, ‘জিন্স কখনোই নিশ্চিহ্ন হবে না। শতবর্ষেরও বেশিকাল ধরে এটির একটি ছাপ পড়ে গেছে।’

তবে এই মহামারির শিক্ষা নিয়ে ভোক্তার চাহিদা অনুসারে জিন্সকে আরও স্বস্তিদায়ক পোশাক হিসেবে গড়ে তোলারও পরামর্শ দেন তিনি।

আরও বলেন, লেগিংস ও পাজামা পরার ওপরও ভোক্তার এক সময় ক্লান্তি চলে আসবে। ফলে জিন্সের হারানো বাজার ফিরে পাওয়ার আশা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • রাজশাহীর পদ্মায় চামড়া ফেলে দিলেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা (ভিডিও)
  • দেশকে প্রযুক্তির সক্ষমতায় এগিয়ে দিয়েছে করোনা
  • সেই কালরাতে যা ঘটেছিল
  • তানোর শিশু পার্কের বেহাল দশা
  • রাজশাহীতে ঈদে খুলবে চিড়িয়াখানা
  • রাজশাহীতে করোনা পরীক্ষার সনদ জালিয়াতি
  • পুলিশকে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরার নির্দেশ
  • ‘মুজিব বর্ষ স্মরণে আগামী সিভিএফ সম্মেলন’
  • তবুও ঢুকছে ভারতীয় গরু
  • রাজশাহীতে প্রতি একশোজনে করোনা আক্রান্ত ৩০ জন
  • রাজশাহীর সব মসজিদে সিসি ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ
  • রাজশাহী ওয়াসার ৯৩ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
  • করোনায় বেড়েছে অপরাধ
  • রাজশাহী মসজিদ মিশনের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ
  • ঈদে আইএস হামলার শঙ্কায় দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি
  • উপরে