বাগমারায় দাম বাড়ার শঙ্কায় তেল পাম্পে উপচেপড়া ভিড়

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২২; সময়: ৭:৫৪ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগমারা : ভোজ্য তেলের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে পারে পরিবহনে ব্যবহার্য তেলের দাম। এরই মধ্যে দরিদ্র বা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনের ক্রয় সাধ্যের বাইরে চলে যাওয়া উপক্রম দেখা দিয়েছে ভোজ্য তেল। এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী তেল আটকিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির পায়তারা চালাচ্ছে দেশ জুড়ে।

সরকার বার বার তেলের দাম নির্ধারণ করে দিলেও খুচরা পর্যায়ে এসে তা কার্যকর হচ্ছে না। তেলের সাথে পাল্লা দিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিসপত্রের দাম বেড়ে চলেছে। মাঝে মধ্যে বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলো অভিযান পরিচালনা করলেও তেমন সুফল পাননা ক্রেতারা।

অভিযান শেষ হলেই আগের মতো ইচ্ছা অনুযায়ী দাম রাখেন বিক্রেতারা। ভোজ্য তেলের মতো কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছেন পরিবহনে ব্যবহৃত অকটেন, ডিজেল ও পেট্রোলের। পেট্রোল পাম্পগুলোতে বর্তমানে আগের মতো তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। পরিবহন চালকরা যে পরিমানে তেল চাচ্ছেন তারা তা পাচ্ছে না। সরবরাহ কম বলে অল্প করে দেয়া হচ্ছে তেল। তবে পাম্পগুলোতে সরকার নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে তেল।

বাগমারা উপজেলা জুড়ে ৪ টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এগুলো হল মেসার্স সোহেল ফিলিং স্টেশন, হাট গাঙ্গোপাড়া ফিলিং স্টেশন, রোকেয়া ফিলিং স্টেশন এবং ভবানীগঞ্জ ফিলিং স্টেশন। ৪টি ফিলিং স্টেশনে প্রতিদিন গড়ে ১৬-১৮ হাজার লিটার তেল প্রয়োজন হয়। মাস দু-এক থেকে পেট্রোল পাম্পের মালিকরা সে পরিমান তেল পাচ্ছেন না। তেলের ডিপো থেকে চাহিদার চেয়ে অনেক কম তেল নিতে পাচ্ছেন। পর্যাপ্ত তেল আমদানী করতে না পারায় পরিবহণ চালকের চাহিদাও পূরণ করতে পারছে না পাম্প মালিকরা।

দূরত্ব অনুযায়ী পরিবহনে ব্যবহৃত জালানি তেলের মূল্য নির্ধারন হয়ে থাকে। সে মোতাবেক বাগমারার ফিলিং স্টেশনে অকটেন বিক্রি হচ্ছে ৮৯.৭৭ টাকা, পেট্রোল ৮৬.৭৭ টাকা এবং ডিজেল ৮০.৭৭ টাকায়। তবে ফিলিং স্টেশন থেকে তেল কিনে তা খুচরা বাজারে একটু বেশি দামে বিক্রয় করা হচ্ছে। কৃত্রিম সংকটের কারনে পরিবহনের তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কায় পাম্পগলোতে হুড়োহুড়ি করে তেল নিচ্ছেন চালকরা। প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে ছিল পরিবহণ চালক বিশেষ করে মোটর সাইকেল চালকের উপচে পড়া ভিড়।

মচমইল বাজারে অবস্থিত মেসার্স সোহেল ফিলিং স্টেশনের মালিক শহিদুল ইসলাম জানান, দু মাস আগেও তেলের কোন ঘাড়তি ছিল না। তেল সংকটের কারনে আমরা চাহিদা মতো ডিপো থেকে তেল পাচ্ছি না। যেটুকু পাওয়া যাচ্ছে সেটা দিয়েই কোন ভাবে পরিবহন মালিকের নিকট বিক্রয় করা হচ্ছে। প্রতিদিনের চাহিদার অর্ধেক তেল এনে তা বিক্রয় করতে হচ্ছে ফিলিং স্টেশন মালিকদের।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে