রাজশাহী অঞ্চলে বৃষ্টির জন্য হাহাকার

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২২; সময়: ১১:৫৬ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে দুই বছর আগেও গ্রীষ্ম মৌসুমে ঘন ঘন মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। কিন্তু গত বছর বৃষ্টি অনেক কম ছিল। এবার গ্রীষ্ম যাচ্ছে দীর্ঘ খরায়। এতে আমসহ কিছু ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। ফলে বৃষ্টির জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে রাজশাহী অঞ্চলে।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাজশাহীতে ৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবার রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। তামপাত্রা কিছুটা কমলেও ভ্যাবসা গরম কমেনি।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ আবু সাঈদ বলেন, বৃষ্টি না হলে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এমনকি মৌসুমের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।

জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৩ মার্চ দুপুরে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়েছিল। এরপর ২১ এপ্রিল ৩০ থেকে ৪০ মিনিট হালকা বৃষ্টি হয়। এ ছাড়া ওই বছর এপ্রিল মাসের বাকি দিনগুলোয় কোনো বৃষ্টির দেখা মেলেনি। এর আগের বছর ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকেই বৃষ্টি হয়েছে। ওই বছরের ১৫ ও ২০ মার্চ এবং ১২ ও ১৫ এপ্রিল বৃষ্টি হয়েছিল। এরপর ৫ মে রাত আটটার পর দীর্ঘক্ষণ ধরে বৃষ্টি হয়।

গোদাগাড়ীর নিমঘটু গ্রামের কৃষক কংগ্রেস টুডু বলেন, ধানের এখন শিষ বের হচ্ছে। এই সময় জমিতে পানি ধরে রাখা দরকার। কিন্তু পানি দিতে না দিতেই নেই হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি না হলে ধানের ফলণের ক্ষতি হবে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোজদার আলী বলেন, সেচ দিতে পারেননি- এমন আমচাষিদের এই রোদে কিছু ক্ষতি হতে পারে। আর ধানের ক্ষেত্রে রোদ হলে পোকামাকড়ের উপদ্রব কম হয়। চৈতালি মাড়াইয়ের জন্যও রোদের দরকার আছে। তবে দীর্ঘ খরার কারণে আমের গুটি কিছুটা ঝরে যাচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে