বাগমারায় ইউপি নির্বাচনে জামানত হারালেন যারা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২২; সময়: ৯:২৫ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আটজন চেয়ারম্যান প্রার্থী বাতিল ভোটের চেয়েও কম ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। তাঁরা জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপে উপজেলার ১৬টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ হয়।

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৬টি ইউপিতে ৫৪ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ অনুযায়ী নির্বাচনে ভোটারদের দেওয়া মোট বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, আটজন চেয়ারম্যান প্রার্থী বাতিল ভোটের কাছাকাছি যেতে পারেননি। তাঁরা হলেন গণিপুর ইউপিতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আফসার সরদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুণ অর রশিদ, গোয়ালকান্দিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ, ওয়ার্কার্স পার্টির জিতেন্দ্রনাথ, ঝিকড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদত হোসেন, বড় বিহানালী ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক, হাসিনা ইসলাম ও মোশারফ হোসেন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, গণিপুরে বাতিল হয়েছে ২৬১ ভোট। সেখানে আফসার সরদার পেয়েছেন ১৫৩ ভোট, হারুণ অর রশিদ পেয়েছেন ৪৩ ভোট। হারুণ অর রশিদ ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তবে এবারের নির্বাচনে জামানত হারিয়েছেন। বড় বিহানালী ইউপিতে বাতিল হয়েছে ১৩১ ভোট। সেখানে আবু বকর সিদ্দিক পেয়েছেন ১১, হাসিনা ইসলাম ১২ ও মোশারফ হোসেন পেয়েছেন ৩৫ ভোট। অপর দিকে গোয়ালকান্দিতে বাতিল হয়েছে ২৮১ ভোট। জিতেন্দ্রনাথ পেয়েছেন ৪১ ও আবদুল লতিফ পেয়েছেন ১১২ ভোট। ঝিকড়ায় শাহাদত হোসেন পেয়েছেন ১৩৬ ভোট। এখানে বাতিল হয়েছে ২১০ ভোট।

জামানত হারানো প্রসঙ্গে একজন প্রার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রার্থী হয়েছিলেন ঠিকই, পরে প্রচার-প্রচারণা চালাননি। তবে বাতিল ভোটের চেয়ে কম ভোট পাওয়া অপমানজনক।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বলেন, আটজন চেয়ারম্যান বাতিল হওয়া ভোটের চেয়ে অনেক কম ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। তবে কমিশনের কাছে সব প্রার্থীই সমান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে