মাছ আত্মসাত করতে পুকুরের অংশীদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা

প্রকাশিত: আগস্ট ২৪, ২০২১; সময়: ১২:০৭ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর বাগমারায় পুকুরের মাছ আত্মসাত করতে অংশীদারকে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠৈছে। ইজারা নেয়া নিজের পুকুরে জাল ফেলে মাছ দেখার ঘটনাকে ভিন্নভাতে প্রভাবের চেষ্টা করে আরেক মৎস ব্যবসায়ী। অংশীদারকে বঞ্চিত করে মাছ আত্মসাতের জন্য নজরুল ইসলাম নামের ওই মাছ ব্যবসায়ী এই ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সোমবার উপজেলার চক মহব্বতপুর গ্রামের এসএম এনামুল হকের পক্ষে স্থানীয় প্রেসক্লাবে গিয়ে এই অভিযোগ করা হয়েছে। নজরুলের বিরুদ্ধে এই লিখিত অভিযোগ পুলিশসহ বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া হয়। অভিযোগে নজরুল ইসলামকে প্রতারক আখ্যা দিয়ে তার বিচার দাবি করা হয়েছে।

আগের দিন রোববার নজরুল ইসলাম ইজারা নেয়া পুকুরের অংশীদার এনামুল হকের বিরুদ্ধে মাছ লুটের অভিযোগ আনেন। অভিযোগটি তিনি পুলিশসহ বিভিন্ন দপ্তরে দেন।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কামনগর ও দ্বীপনগর মৌজায় অংশীদারিত্বের মাধ্যমে তিনজন মৎস্য ব্যবসায়ী একটি পুকুর খনন করে মাছচাষ করে আসছিলেন। তারা হলেন, কামনগর গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম, আরঙ্গবাদ গ্রামের মৃত ফারাজ আলীর ছেলে ফজলুর রহমান এবং একই এলাকার মৃত শ্রীকৃষ্ট মন্ডলের ছেলে যুগোল চন্দ্র মন্ডল। তারা স্থানীয় লোকজনের নিকট থেকে দশ বছরের জন্য বিশ হাজার টাকা বিঘায় জমি লীজ নিয়ে পুকুর খনন করে।

পুকুরের অংশীদার ফজলুর রহমান বলেন, এক বছর পর পুকুরের হিসাব-নিকাশ করে অনেক টাকা লোকসান হয়। এ নিয়ে তিন অংশীদারের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। নজরুলের বিরুদ্ধে গোপনে মাছ ধরে বিক্রির অভিযোগও উঠে। যার প্রমানও পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, ‘‘তারা তিনজনে আরো একটি পুকুর খনন করে মাছ চাষ করে আসছিল। সেই পুকুর গোপনে নজরুল একাই বিক্রয় করে অর্থ আত্মসাত করে। এ সব বিষয় নিয়ে নজরুলের বিরুদ্ধে বাগমারা থানা পুলিশসহ নির্বাহী অফিসারের নিকটে অভিযোগও দিয়েছিলেন ফজলুর রহমান ও যুগোল। বিষয়টি সমাধানের জন্য একাধিকবার ডাকা হলেও নজরুল হাজির হয়নি। এ অবস্থায় তাদের অংশ চকমহব্বতপুর গ্রামের আমির আলীর ছেলে এসএম এনামুল হকের নিকট বিক্রি করে দেয়া হয়। বর্তমানে এনামুল হক ওই পুকুরের অংশীদার।

এদিকে, তিনভাগের দুইভাগের অংশ কেনা পুকুরে মাছ দেখতে গত শুক্রবার জাল নামান এনামুল হক। এ সময় আরেক অংশীদার নজরুল ইসলামকে পুকুরে থাকতে বলেন। তবে নজরুল পুকুরে আসেনি। জাল টেনে মাছ দেখেন এনামুল হক। কিন্তু একদিন পর ২০ মন মাছ লুটের অভিযোগ তুলেন নজরুল।

এ সব বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে নজরুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি। তবে এ ব্যাপারে এনামুল হক বলেন, ‘‘আমি ফজলুর রহমান ও যুগোলের নিকট থেকে তাদের অংশ ক্রয় করেছি। সে মোতাবেক আমি পুকুরে জাল টেনে মাছ দেখেছি। পুকুর থেকে কোন মাছ ধরা বা বিক্রি করা হয়। পুকুরে জাল নামানোর আগে নজরুলকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু সে আসেনি। মাছসহ পুকুর আত্মসাত করতে আমার বিরুদ্ধ মিথ্যা অভিযোগ এনেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

  • 83
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • যে ১১ নির্দেশনা মানতে হবে পরীক্ষার্থীদের
  • দেশে একদিনের ব্যবধানে বেড়েছে শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা
  • পদ্মা নদী বাঁচাতে পাঁচ দফা দাবিতে রাজশাহীতে মানববন্ধন
  • রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ ছাত্রের চুল কেটে দিলেন শিক্ষক
  • রাজশাহীতে নন-এমপিওভূক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে মেয়রের উপহার
  • পাবনায় হত্যা মামলায় দুই জনের ফাঁসির আদেশ
  • নাটোরে আইপিআরএস প্রযুক্তিতে মাছ চাষ করে বিপ্লব ঘটাতে চান ইমন
  • কুষ্টিয়ার ভাতিজার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চাচা খুন
  • রাজশাহীতে সার্জেন্ট আত্মহত্যায় ২ শিক্ষিকা গ্রেপ্তার
  • দেশ বদলে গেছে, আকাশ থেকে ঢাকা শহর চেনা যায় না : তথ্যমন্ত্রী
  • ‘মেগা প্রকল্পগুলো যখন চালু হবে, বিএনপি চোখে সরষে ফুল দেখবে’
  • তেলের আবার তেলতেলে ভাব আসছে
  • রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ
  • বারবার পুলিশের মামলায় ত্যক্ত-বিরক্ত শওকত নিজের বাইকেই আগুন ধরিয়ে দিলেন
  • ব্লুটুথ স্যান্ডেল দিয়ে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় নকল
  • উপরে