বাগমারায় লীজকৃত পুকুর থেকে জোরপূর্বক মাছ ধরার অভিযোগ

প্রকাশিত: আগস্ট ২২, ২০২১; সময়: ৭:০৪ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগমারা : রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়নের কামনগর গ্রামে একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন লীজকৃত পুকুরে জোর পূর্বক মাছ ধরার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিপক্ষরা ভয় দেখিয়ে দিনে দুপুরে দিনে লীজকৃত পুকুর থেকে প্রায় বিশমণ মাছ ধরে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় রোববার রাজশাহীর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কামনগর গ্রামের মৎসজীবি নজরুল ইসলাম।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চকমহব্বতপুর গ্রামের এস.এম. এনামুল হক ও তার ৪০/৫০ জন সাঙ্গপাঙ্গ গত ২০ আগস্ট দুপুর বারটার দিকে কামনগর গ্রামে আসে। তারা দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোটা নিয়ে ওই গ্রামের মৎজীবি নজরুল ইসলামের লীজকৃত প্রায় ২৪ বিঘা জলার পুকুরে বেড় জাল দিয়ে রুই কাতলা সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় বিশ মণ মাছ জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায়।

ওই সকল মাছের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় দুই লক্ষ টাকা হবে বলে দাবী করেন অভিযোগকারী নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন চকমহব্বতপুর গ্রামের আমির মাস্টারের ছেলে এনামুল এক জন সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ প্রকৃতির লোক। সে এর আগে আমাকে ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবী করে। আমি তার দাবীকৃত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় সন্ত্রাসী এস.এম. এনামুল হক আমাকে প্রাননাশেরও হুমকি দেয়।

এছাড়াও এস.এম. এনামুল হক তার সাঙ্গপাঙ্গ দিয়ে আমাকে প্রতিনিয়ত অপহরণের হুমকি দিয়ে চলেছে। তারা মোটরসাইকেল বাহিনী নিয়ে প্রতিনিয়ত আমাকে অনুসরণ করে চলেছে। তাদের ভয়ে আমি বাড়িতে যেতে ও রাত্রী যাপন করতে পারছি না। আমার লীজকৃত পুকুরে জোর পূর্বক মাছ ধরার বিষয়ে ক্ষতি পুরন সহ আমি আমার নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছি।

এস.এম এনামুল হক তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত সকল অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন। তিনি বলেন, আমি উক্ত পুকুর নজরুলের দুই অংশীদারের নিকট থেকে লীজ নিয়েছি। যেহেতু লীজ নিয়েছি তাই জাল টেনে দেখেছি যে মাছের কি খবর। এছাড়া ওই পুকুর থেকে কোন মাছ ধরা হয়নি। এ ঘটনায় কাউকে হুমকী প্রদান করা হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, জেলা পুলিশ থেকে অভিযোগের কপি আসলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে