রাজশাহীতে বিধিনিষেধের মধ্যেই মানুষ যানবাহনে গাদাগাদি করে চলাচল

প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২১; সময়: ১০:১৯ am |

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী নগরী ও উপজেলাগুলোতেও ‘বিধিনিষেধ’ উপেক্ষা করে রাস্তায় বেড়েছে যানবাহন ও মানুষের চলাচল। অনেকে যানবাহনে গাদাগাদি করে মানুষ চলাফেরা করছে। (সোমবার ২ জুলাই) ১১ দিনে অন্যান্য দিনের মত বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তেমন কঠোর তৎপরতা লক্ষ করা যায়নি। তবে স্বাস্থবিধি মানতে রাস্তায় থেকে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমস্যরা।

সোমাবার (২ আগস্ট) নগরীর সাহেব বাজার, আলুপট্টি, লক্ষ¥ীপুর, রেলগেটসহ কয়েকটি পয়েন্ট ঘুরে এমন চিত্র লক্ষ করা গেছে। এর বাইরে নগরীর প্রবেশদ্বার কাটাখালি, বেলপুকুর, কাঁশিয়াডাঙ্গা, এলাকায় পুলিশের চেকপোস্ট খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন অজুহাতে মানুষ বাইরে বের হচ্ছে। আগের চেয়ে কাঁচাবাজার ও রাস্তায় মানুষের চলাচল অনেক বেশি। অনেক ব্যবসায়ী দোকানের অর্ধেক সাঁটার খুলে ব্যবসা পরিচালনা করছে। নগরীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে গিয়েও দেখা গেছে, অনেকে মাস্ক পরছে না, কেউবা আবার পকেটে মাস্ক রেখে ঘুরছে।

প্রশাসন ও পুলিশের সদস্যদের দেখলে তড়িঘড়ি করে মাস্ক পরে নিচ্ছে। সোমবার সাহেববাজার ও মাস্টারপাড়া কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায়, মানুষের ভিড়। রাস্তায় স্বাস্থ্যবিধি মানলেও কাঁচাবাজারে ঢুকে বা বাজারে অর্ধেক সাটার খুলে জিনিস কেনার সময় মানুষ সামাজিক দূরত্ব মানছে না। এদিকে রাজশাহী নগরী ও জেলায় জরুরি সেবাসমূহ চালু রয়েছে আগের মতোই। রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ ও খাবার পরিবহণের যানবাহনগুলো স্বাভাবিক নিয়মেই চলাচল করছে।

যারা জরুরি প্রয়োজনে ওষুধের প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে বাইরে বের হচ্ছেন তাদেরও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জেরার মুখে পড়ছেন। নগরী ও উপজেলাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে জেলাতে র‌্যাব-৫ এর ৫ টি টিম, এছাড়াও জেলায় সেনা বাহিনির তিন প্লাটুন, বিজিবির তিন প্লাটুন, ও আনসার সদস্যদের তিন প্লাটুন টিম কাজ করছে। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে রয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। জেলায় ২২ টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের টিম কাজ করছে। নগরীতে ৪ টি, উপজেলাগুলোতে ১৮ টিম এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি না মানায় প্রতিদিন জরিমানাও করা হচ্ছে। গত রোববার স্বাস্থ্যবিধি না মানায় মোট ৩৫ জনকে ২২ হাজার ৬ শ’ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল জানান, বিধিনিষেধ মানতে আগের মতই সকল কার্যক্রম চলছে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কাজ করা হচ্ছে। আগামী ৫ জুলাই পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন হবে। ৫ তারিখের আগে কোনো সিদ্ধান্ত হলে সেই বিষয়ে আমরা সরকারি ভাবে যে পদক্ষেপ নেওয়া হবে তার বাস্তবায়ন করবো।

  • 519
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে