চারঘাটে জনসচেতনতা বাড়াতে মাঠে নেমেছে পুলিশ

প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২১; সময়: ১০:১৩ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট : রাজশাহীর চারঘাটে হঠাৎ করেই বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণ রোগীর সংখ্যা। এতে করে চরম আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে চারঘাটে বসবাসকারীরা। গত ৪ দিনে চারঘাটে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ জন। এর পরেও সরকারী নির্দেশনা না মেনে বাইরে ঘুরছেন লোকজন। সরকারী নির্দেশনা মানতে স্থানীয় প্রশাসন মাইকিংসহ জনসচেতনতা বাড়াতে এবার মাঠে নেমেছে পুলিশের তৎপরতা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, করোনা সংক্রমণের ২য় ঢেউয়ের কারনে গত ৪ দিনে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মোট ৫০ জন রোগী করোনা সংক্রমনে আত্রান্ত হয়েছেন। অন্যরা তাদের নিজ নিজ বাড়ীতে চিৎিসকদের নজরদারীতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে এভাবে করোনা রোগী বৃদ্ধি পাবার পরেও চারঘাটে মানা হচ্ছে না সামাজিক দুরত্বসহ সরকারী নির্দেশনা। স্থানীয় প্রশাসন করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে জনগনকে রক্ষার স্বার্থে মাইকিংসহ বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করলেও রাস্তায় মাস্ক ছাড়াই ঘুরছেন লোকজন। এতে করে চারঘাটে করোনা সংক্রমণ আরো বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

বিষয়টি সম্পর্কে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা: আশিকুর রহমান বলেন, করোনার ২য় ঢেউ শুরু ৪ দিনের ব্যবধানে ২জন চিকিৎসকসহ আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ জন। সরকারী নির্দেশনা না মানলে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়বে। তাই জনগনকে সরকারী নিদের্শনা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রথম ঢেউ শুরুর সময় চারঘাটে ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত নতুন ভাবে আর কেউ মারা যাননি। তাই সকলের উচিত করোনাকালে জরুরী কাজ ছাড়া বাড়ীর বাইরে না বের হবার।

এ বিষয়ে মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমন আবার বেড়ে যাওয়ায় মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠে নেমেছে পুলিশ। রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনের নির্দেশনায় মাস্ক পরার অভ্যাস,কোভিডমুক্ত বাংলাদেশ এই প্রতিবাদ্য নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে উদ্বুদ্ধকরন কর্মসচী অংশ হিসাবে আবারোও সোমবার সকালে মাঠে নেমেছে চারঘাট মডেল থানা পুলিশ। সোমবার সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ টহল দিতে দেখা গেছে এবং মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এসময় পুলিশের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে কয়েকশ মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা সামিরা বলেন, করোনার প্রভাব থেকে জনসাধারনকে রক্ষার স্বার্থেই সরকার লকডাউন ঘোষনা করেছে। কিন্তু জনগন সরকারী নিদের্শনা অমান্য করে রাস্তায় বের হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং পরিচালনা করা হচ্ছে ভ্রাম্যমান আদালত।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে