মোহনপুরে সরকারি খাল দখল করে রাতারাতি দোকান নির্মানের অভিযোগ

প্রকাশিত: জুন ২৪, ২০২১; সময়: ১০:১২ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভায় সরকারি খাল দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। কেশরহাট হাটের মাছ বাজারের পানি নিস্কাশনের রাজশাহী-নওগাঁ ব্রীজের পূর্বদিকে বিশাল এক জায়গা দখল করে রাতারাতি মার্কেট নির্মাণের কাজ করছেন পৌর এলাকার মুরগী ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ নামের প্রভাবশালী একব্যক্তি। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন পৌরসভা ভূমি অফিসে অভিযোগ করলেও অবৈধ দোকান নির্মাণ কাজ বন্ধ করেনি সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে,  বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সরেজমিনে কেশরহাট পৌরসভায় গিয়ে দেখা যায়, রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক সংলগ্নে পূর্বদিকে সরকারি খাল দখল করে বেশ কয়েকটি দোকান নির্মাণের কাজ চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সাংবাদিকদের বলেন, যে খালের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে এটি একটি প্রবাহমান খাল। ওই খালের ধারে কেশরহাট মাছ বাজারে প্রতিদিন শতাধিক ছোটবড় মাছের গাড়ি লোড-আনলোড হয়ে থাকে। এছাড়া মাছ গাড়ির প্ররিত্যক্ত পানি নিস্কাশনের একমাত্র পথ ওই খাল। কিন্তু খালের মধ্যে মাটির বাঁধ দিয়ে পানি চলাচল বন্ধ করে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

এ কাজে তাকে প্রকাশ্যে কেউ কেউ বাঁধা দিলেও অদৃশ্য কারণে তার দোকান নির্মাণ কাজ পুরোদমে চলছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাছ বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, সরকারি ওই খালটি দখল করে রাখায় আমাদের মাছ পট্রির পয়ঃনিস্কাশনে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ওই খাল দিয়ে মাছের বর্জ না নামায় ক্ষতিও হচ্ছে বলেও জানান তারা।

এবিষয়ে খাল দখলকারি আব্দুল মজিদ জানান, সরকারি খালের উপরে আমি বাঁশের মাচা করে মুরগির ব্যবসা করে আসছি। বর্তমানে কয়েকটি পিলার তোলার কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, শুধু আমি নয় আমার মত ওই খালের উপর আরও অনেকে দোকানঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে রেখেছে।

এবিষয়ে কেশরহাট পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান শহিদ বলেন, সরকারি খাল দখল করে অবৈধ ভাবে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ মৌখিকভাবে পেয়েছি। যার পরিপ্রেক্ষিতে জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলেছি।

এবিষয়ে রাজশাহী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সামসুজ্জোহার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই সংক্রান্ত বিষয়ে আমি অভিযোগ পাইনি। তবে, সাংবাদিকদের মাধ্যমে অবগত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে