পুঠিয়ায় জমে উঠেছে আমের বাজার

প্রকাশিত: জুন ৬, ২০২১; সময়: ৩:১৪ pm |

মোহাম্মদ আলী, পুঠিয়া : করোনা পরিস্থিতিতেও রাজশাহীর পুঠিয়ায় আমের বাজার ও আড়তগুলো জমে উঠেছে। উপজেলার সবচেয়ে বড় আমের মোকাম বানেশ্বর হাটের আশপাশের সড়কগুলোর যেদিকে চোখ যেতো শুধু আম ভর্তি ভ্যান দেখা যেতো। কিন্তু গত কয়েকদিন আগে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মহাসড়কে যাতে কোন ধরনের যানজট সৃষ্টি না হয়। সেজন্য বানেশ্বর সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে আমের হাট স্থানান্তর করেন। তাই বাগানের কাঁচা-পাকা আম নিয়ে ভ্যানের গন্তব্য এখন বানেশ্বর সরকারি কলেজ মাঠে।

আজ ৬ জুন ল্যাংড়া, ১৫ জুন থেকে আম্রপালি ও ফজলি আম এবং আশ্বীনা ১০ জুলাই থেকে পাড়া শুরু হবে বলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা রয়েছে। এবং এইবার জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক ১৫ মে থেকে আম পাড়া শুরু হয়েছে। রবিবার হাটে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে উঠতে শুরু করেছে সব জাতের আম। বানেশ্বর বাজারে ভ্যানে করে আম বিক্রি করছেন আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা। করোনার কারণে অন্য এলাকা থেকে তেমন পাইকারি ব্যবসায়ীরা আসেনি। কিছু ব্যবসায়ী, স্থানীয় আড়তদার ও সাধারণ ক্রেতারা কিনছেন আম।

আবু সায়েদ নামে এক আড়ৎদার জানান, তারাই কিনে ঢাকায় আম পাঠাচ্ছেন। বর্তমানে গোপালভোগ জাতের আম ২২০০ থেকে ২৬০০ টাকা মণ, লোকনা ৬০০-৮০০, হিমসাগর ১৪০০-১৮০০, ল্যাংড়া ১২০০-১৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর গুটি জাতের আমের দাম প্রতি মণ ৬০০-৯০০ টাকা।
আব্দুল মমিন নামে এক আম চাষি জানান, করোনার মহামারির কারণে রাজশাহীর বাইরে থেকে তেমন বেপারি আসেনি। যারাও এসেছে তারা অনেক দামাদামি করে কম দামে আম কিনছে এমন দামে আম বিক্রি করলে আমাদের লোকসান হবে বলে তিনি জানান।

পুঠিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার শামসুন নাহার ভূইয়া জানান, নিয়মিত বানেশ্বর আমের হাট পরিদর্শন করছেন এবং উপজেলা প্রশাসন সব সময় তাদের সহযোগিতা করছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরু হাই মোহাম্মদ আনাছ স্যার আমের হাট বানেশ্বর সরকারি কলেজ মাঠে স্থানান্তর করায় সকল আম চাষীরা অনেক খুশি। এবং করোনা সংক্রমণ রোধে যাতে সবাই মাক্স ব্যবহার করে সেজন্য উপজেলা প্রসাশন থেকে সবসময় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) রুমানা আফরোজ।

  • 99
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে