রাজশাহীতে ইদের কেনাকাটায় মার্কেটে ভিড়

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৩, ২০২১; সময়: ১১:০৪ am |

নিজস্ব প্রতিবেদক : কঠোর লকডাউনের খবরে নিত্যপণ্য কিনে মজুদসহ কেনাকাটা করতে গত দুইদিন থেকেই রাজশাহীর মার্কেটগুলোতে ভিড় বাড়ছে। লকডাউনকালীন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে এমন শঙ্কায় কাঁচাবাজারসহ মুদি দোকানেও ভিড় বেড়েছে। একই সঙ্গে লকডাউনের ঝামেলা এড়াতে বাজারমুখি হচ্ছে মানুষ। এরইমধ্যে মার্কেটগুলোতে দাম বেশি নেয়ার অভিযোগও করছেন ক্রেতারা।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) নগরীর সাহেববাজার, নিউ মার্কেট, গণকপাড়া ঘুরে দেখা যায়, গত দিনের মতোই সাহেববাজার আরডিএ মার্কেটে ক্রেতা সমাগম সবচেয়ে বেশি। গত কয়েক দিনের চেয়ে নগরীতে যানচলাচলও বেড়েছে। আর সাহেববাজার, লক্ষীপুর ও রেলগেট এলাকায় যানজটও দেখা গেছে। গত দিনের মতোই নগরীর দোকানগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিতই ছিলো। দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখার বিষয়ে যে শর্তের কথা জানানো হয়েছিলো তা মানা হয়নি।

ক্রেতা আজিবর রহমান জানান, তিনি দৈনিক ভিত্তিতে আয় করে খাদ্যসামগ্রী ক্রয় করে থাকেন। লকডাউনের কথা শুনে গত সোমবার রমজানের জন্য খাদ্যসামগ্রী কিনতে এসেছেন। কিন্তু বাজারে দাম বেশি ছিলো। মার্কেট ব্যবসায়ী মঞ্জুর আলি বলেন, লকডাউনের কারণে কয়েকদিন তেমন ক্রেতা ছিলো না। কিন্তু সামনে কড়াকড়ি লকডাউনের খবরে ক্রেতা বেড়েছে। গত দুই দিন থেকে ক্রেতা বেশি। তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন সরকারি নির্দেশনানুযায়ী মাস্কসহ সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার। কিন্তু কিছুক্ষেত্রে হয়তো স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত হচ্ছে না।

কয়েক দিনের মতোই নগরীর সাহেববাজার এলাকায় পা রাখার জায়গা ছিলো না। ভ্যাপসা গরমের মধ্যে গাদাগাদি করেই বাজার করেছেন মানুষ। করোনার মধ্যে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে ফুটপাতের খাবারের দোকানগুলোতেও মানুষের ভিড় ছিল। এ বিষয়ে রাজশাহী ব্যবসায়ী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার আলী জানিয়েছিলেন, সামনে কড়াকড়ি লকডাউনের কারণে ক্রেতা বাড়ছে। আর প্রশাসনের সার্বক্ষণিক কার্যকর তদারকি না থাকায় স্বাস্থ্যবিধি অনেক ক্ষেত্রে নিশ্চিত হচ্ছেনা।

এদিকে, লকডাউনের গত দিনগুলোর মতোই দিনের বেলা বাজারগুলোতে পুলিশের মনিটরিং কম ছিলো। পুলিশের উপস্থিতি থাকলে সেখানে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত হচ্ছে। কিন্তু তারা চলে গেলেই উপেক্ষিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল জানান, নগরীতে করোনার স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের জন্য একটি কমিটি আছে। সুতরাং প্রশ্ন কমিটির সভাপতিকে করেন।

  • 165
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে