বাঘায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রিপায়রিং কাজে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২১; সময়: ৯:৪১ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘা : রাজশাহীর বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রিপিয়ারিং (মেরামত ও সংস্কার) কাজ গত বছর (২০২০) জানুয়ারি মাসে শুরু হয়ে ১৩ মাসেও শেষ হয়নি। কাজটি শেষ হওয়ার কথা ছিল ওই বছরের আগষ্ট মাসে। কিন্তুু এ বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ৫০ ভাগ। কাজটি নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন চিকিৎসকসহ সেবাদাতা- গ্রহিতা ও দাপ্তরিক কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।

দেখা গেছে, অফিস ও আন্তঃ বিভাগ রদবদল করে কাজ করতে। এতে করে কাজ কর্ম ব্যহতসহ মূল্যবান কাগজপত্র পড়ে আছে এলোমেলাভাবে। পানি ও বিদুৎ সরবরাহ না ধাকায় বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে বিশেষ করে আন্তঃবিভাগে ভর্তি রোগীরা। কাজের মানও সন্তোষজনক নয়। বৃহস্পতিবার (২১ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘুরে এই চিত্র চোখে পড়ে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, টাইলস বসানো থেকে শুরু করে স্যানিটেশন, বিদ্যুৎ সরোঞ্জাম ও পানি সরবরাহের কাজ করতে। কোন-কোন স্থানে বিদুৎতের হোল্ডার থাকলেও সেখানে বাল্প নেই। আবার কিছু-কিছু ওয়ালে বোর্ড লাগানো থাকলেও সেখানে সুইজ নেই। অপর দিকে ৬ বছর পুর্বে নির্মাণকৃত ভবনের ওটিরুম থেকে খুলে পড়ছে ওয়ালে লাগানো অসংখ্য টাইলস।

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আকতারুজ্জামান জানান, দ্বিতলা ও নিচতলা মিলে রিপিয়ারিং(মেরামত) কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬৬ লক্ষ টাকা। সেই কাজের মধ্যে রয়েছে, টাইলস বসানো থেকে শুরু করে স্যানিটেশন, বিদ্যুৎ সংযোগ- সরোঞ্জাম ও পানি সরবরাহের কাজসহ নানাবিধ কাজ। গত বছরের (২০২০) জানুয়ারি মাসে শুরু হওয়া কাজটি শেষ হওয়ার কথা ছিল ওই বছরের আগষ্ট মাসে।

কিন্তুু ঠিকাদারের ধীর গতির কারণে কাজটি শেষ হয়নি ১৩ মাসেও। অর্থাৎ কাজটি শুরু হয়েছে ১৩ মাস পুর্বে। কার্যাদেশের মেয়াদ অনুযায়ী শেষ করা কথা ছিল ৫ মাস আগেই। মেরামতের কাজটি পান সিরাজগঞ্জ জেলার নূর এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেই কাজটি সাব লীজ নিয়ে করছেন রাজশাহী জেলার বানেশ্বর এলাকার আকাশ নামে এক ঠিকাদার।

তিনি বলেন, ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ সম্পূর্ণ করার কথা বললে পরের দিন লেবার সংখ্যা আরো কমে যাই। এ বিষয়ে উর্ধতন কতৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে কাজের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে কি-না,তা জানেন না এই কর্মকর্তা।

বাঁকি কাজ কবে শেষ হবে তা বলতে নারাজ ঠিকাদার। মুঠোফোনে কথা হলে সাফ জবাব দিয়ে ঠিকাদার আকাশ আলী বলেন, কাজের সময় সীমা বাড়ানো হয়েছে। তবে মনে চাইলে কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করতে পারেন।

  • 20
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে