করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় দরিদ্রদের পাশে বেন্টু

প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২০; সময়: ৫:১৭ অপরাহ্ণ |
Share This

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় এগিয়ে এসেছে রাজশাহীর সামাজিক সংগঠন ‘আমরা নতুন প্রজন্ম’। রোববার সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রায় এক হাজার দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও আমরা নতুন প্রজন্মের প্রধান পৃষ্টপোষক আজিজুল আলম বেন্টু তাদের হাতে খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন।

সংগঠনের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম কনক বলেন, স্বাস্থ্য বিধি মেনে লোকজন গিয়ে খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেট গ্রহন করেন। প্রতি প্যাকেটে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ৫০০ গ্রাম তেল ও ১টি করে হাত ধোয়ার সাবান দেয়া হয়েছে। আমরা নতুন প্রজন্মের প্রধান পৃষ্টপোষক আজিজুল আলম বেন্টু নিজে হড়গ্রাম ও এর আশপাশের এলাকার দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এর আগে সংগঠনের পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ করা হয় এবং সংগঠনের কার্যালয়ের সামনে রাস্তার পাশে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করে দেয়া হয় বলে জানান তিনি।

আজিজুল আলম বেন্টু বলেন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহীতে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন। প্রাণঘাতি এই ভাইরাস প্রতিরোধের অংশ হিসেবে আমরা নতুন প্রজন্মের পক্ষ থেকে নগরে মাস্ক বিতরণ ও জনসচেতনামূলক প্রচার ও কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় গত ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশের ন্যায় রাজশাহীতে অঘোষিত লকডাউন চলছে। এতে দরিদ্র মানুষেরা বিপাকে পড়েছেন। বিশেষ করে দৈনিক মজুরির শ্রমিকরা বেশী বিপাকে রয়েছেন। তারা যে না খেয়ে থাকে সে জন্য খাবার সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও খাবার সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি আমিও আমাদের এলাকার দরিদ্রদের মাঝে খাবার তুলে দেয়ার চেষ্টা করছি। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একইভাবে করোনা মোকাবেলায় নগরের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

বিশ^জুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত শঙ্কায় রাজশাহীতে বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫০৯ জন। গত ১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত বিদেশ থেকে রাজশাহী এসেছেন এক হাজার ৩৪৪ জন।

এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত রাজশাহী জেলায় মোট ৮৮৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ দিন পূর্ণ হওয়ায় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ৩৮০ জনকে। তবে এখন পর্যন্ত রাজশাহীতে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কোনো রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

কিন্তু গত ২৬ মার্চ থেকে ওষধ, মুদি ও কাঁচা তরকারির দোকান ছাড়া রাজশাহীতে সব বন্ধ রয়েছে। মানুষ বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরাও লোকজনকে বাড়ি থেকে বের হতে নিরুসাহিত করছেন। ফলে ফাঁকা রয়েছে রাস্তাঘাট বাজার।

উপরে