ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে রাজশাহীতে চলছে টানা বর্ষণ ও সঙ্গে দমকা হাওয়া

প্রকাশিত: মে ৪, ২০১৯; সময়: ৬:০২ পূর্বাহ্ণ |

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে রাজশাহীতে চলছে টানা বর্ষণ। সঙ্গে বয়ে চলেছে দমকা হাওয়া। শহরের প্রায় সব এলাকাই হয়ে পড়েছে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে শহর ও এর আশ পাশের এলাকায়।

শুক্রবার (৩ মে) সকাল থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টির প্রবণতাও বেড়েছে।

বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় দেখা দিয়েছে নতুন দুর্ভোগ। বেশ কিছু এলাকার রোড লাইটও রয়েছে বন্ধ। ফলে সেসব এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা বিরাজ করছে। এরই ওপর ভুক্তভোগীরা বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রে ফোন করেও কাউকে পাচ্ছেন না।

ও প্রান্তে থাকা ফোনটির রিসিভার তুলে রাখা হয়েছে। ফলে এ প্রান্ত থেকে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ কেন্দ্রের ফোনটি সব সময় ব্যস্তই পাচ্ছেন। এ নিয়ে মহানগরীর সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। রাজশাহীর ওপর দিয়ে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ অতিক্রম করার সময় বড় দুর্যোগ হলে কী অবস্থা দাঁড়াবে তা নিয়ে এখনই নানান শঙ্কা ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে নগরবাসীর মধ্যে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মহানগরীর শিরোইল নিউ কলোনি, আসাম কলোনি, ছোট বনগ্রাম, শালবাগান কাদিরগঞ্জ, কুমারপাড়া, আলুপট্টি, তালাইমারি, বিনোদপুর, কাটাখালি, নিউ মার্কেট, সুলতানাবাদ, নওদাপাড়া, হড়গ্রাম ও সাগরপাড়াসহ নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো লি.) এর পাঁচটি ডিভিশনের প্রায় এলাকাতেই গভীর রাত পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। কিন্তু সামান্য বৃষ্টিতেই শহরজুড়ে এতো বিদ্যুৎ গোলযোগ কেন সেই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবিলায় এরই মধ্যে রাজশাহীতে সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সব সরকারি ও আধা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য দু’টি আলাদা কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে