‘দুর্নীতি ঘৃণা ও লজ্জার বিষয় এটি পরিহার করতে হবে’

প্রকাশিত: মে ৫, ২০১৯; সময়: ৭:৪৩ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী বিভাগের শ্রেষ্ঠ মহানগর ও জেলা এবং উপজেলায় দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও এক মতবিনিময় সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেলে রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমীর অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনার (তদন্ত) এ,এফ,এম, আমিনুল ইসলাম।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) রাজশাহীর মো. আনওয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশন, ঢাকার যুগ্ম সচিব মো. মনিরুজ্জামান, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি একেএম হাফিজ আক্তার, আরএমপি পুলিশ কমিশনার মো. হুমায়ুন কবির, রাজশাহীর জেলা প্রশাসক এস এম আবদুল কাদের। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আব্দুর রহিম, মো: ইয়াহিয়া মোল্লা, উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ মো. রেজাউন কবির পারভেজ ।

দুর্নীতি দমন প্রতিরোধে বগুড়া জেলা শ্রেষ্ঠত্ব এবং শ্রেষ্ঠ দুর্নীতি দমন প্রতিরোধে রাজশাহী গোদাগাড়ীী উপজেলা প্রথম, নাচোল চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপজেলা দ্বিতীয় এবং উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ উপজেলা তৃতীয় স্থান অধিকার লাভ করে তাদের পুরস্কার প্রদান করেন দুর্নীতি দমন কমিশনার (তদন্ত) এ,এফ,এম, আমিনুল ইসলাম।

এসময় প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। কারণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান যদি দুর্নীতির সাথে যুক্ত থাকে তাহলে দুর্নীতি দমন করা সম্ভব নয়। দুর্নীতি একটি ঘৃণা ও লজ্জার বিষয় এটি পরিহার করতে হবে। এটি প্রতিরোধ করতে সততার সাথে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির প্রতি জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তাই সবাইকে দুর্নীতি প্রতিরোধ করার মাধ্যমেই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরকে দুর্নীতির বিষয়ে বেশি নজর দিয়ে আরো শক্ত অবস্থানে থাকতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জনসচেতনতা সৃষ্টি করার মাধ্যমে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি সেক্টরের উর্ধ্বতন অফিসারা যদি সততার সাথে কাজ করেন তাহলে তার অধিনে থাকা অফিসারা দুর্নীতি করার সাহস পাবে না এবং রাষ্ট্রের দুর্নীতি কমে যাবে। সৎ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার চর্চা করতে হবে মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে।

প্রতিটি জেলা উপজেলা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি দমন প্রতিরোধকল্পে সততা ষ্টোর প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। যাতে করে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সৎ ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে