‘ফণী’ মোকাবেলায় রাজশাহী প্রশাসনের সতর্কতা জারি

প্রকাশিত: মে ২, ২০১৯; সময়: ৪:৫৭ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক : ধীরে এগিয়ে এলেও ‘ফণী’ বেশ শক্তিশালী হয়ে গেছে। এখন তার গতি বেড়ে গেছে। তাই ‘ফণী’ ৪ মের আগেও বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশে আছড়ে পড়ার আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ওডিশা রাজ্যের উপকূলে আঘাত করতে পারে। ‘ফণী’র যে পথে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে ঝড়টি রাজশাহী ও রংপুরের উপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে। তাই রাজশাহী জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি আগাম প্রস্তুতি নিতে সভা করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রুহুল আমীন, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আমিনুল হক, জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ড. জুলফিকার মো. আকতার হোসেন, ডিডি বিআরডিবি একেএম জাকিরুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা উপপরিচালক রাশেদুল কবীর, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক শবনম শিরিন, পবা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন আবু বাশিরসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ।

সভায় ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলা ও সাধারণ মানুষকে সতর্কীকরণে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে জেলার প্রতিটি উপজেলার গ্রাম পর্যায়ে মাইকিং করার কথা বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে দুর্যোগের সময় সাধারণ মানুষকে আশ্রয় নেয়ার জন্য প্রত্যেক স্কুল, কলেজকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণের জন্য খাদ্যশস্য মজুদ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সভায় দুর্যোগকালীন মুহূর্তে দমকল বিভাগ ও বিদ্যুৎ বিভাগকে সব সময় সজাগ থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। স্বল্প সময়ের নোটিশে তারা যাতে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে, সে জন্য সতর্ক করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

যে কোন দুর্যোগে বার্তা জানতে যে কোন মোবাইল ফোন থেকে ১০৯০ ডায়াল করুন। এছাড়াও দুর্যোগে সাহায্য পেতে যোগাযোগের জন্য জেলা প্রশাসক ০১৭১৩২০০৫৬৯, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা ০১৭০০৭১৬৭০২, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ০১৭৩০০০২৫০৮, পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ০১৭৩৩৩৫০০১, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০১৭০০৭১৬৯৩৩, পবা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ০১৭৩০৩৩৬৬৫৫, মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ০১৭৩৩০০৫০০০, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০১৭০০৭১৬৯৩৫, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ০১৭৩০০০২৫১১। পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ০১৭৮৬৭০৮৪৪৪, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০১৭০০৭১৬৯৩৭, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ০১৭৩০০০২৫১২।

দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ০১৭৬২৮৬৫৬১৬, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০১৭০০৭১৬৯৩৮, চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ০১৭৬২৮০৮১৫৩, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০১৭০০৭১৬৯৪০। বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ০১৭০৫৪৩০৫২১, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০১৭০০৭১৬৯৪১। গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ০১৭৬২৪৯১২২১, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০১৭০০৭১৬৯৩৬, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ০১৭৩০০০২৫১০। তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ০১৭২২৮৩৪০১৮, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০১৭০০৭১৬৯৩৪, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ০১৭৩০০০২৫১২। বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ০১৭০৯৯৮৯৫৩০, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ০১৭০০৭১৬৯৩৯।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে