১/১১তে দলের বিরুদ্ধে যারা ছিল তাদের চিনে রাখতে হবে

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২১; সময়: ৮:২৫ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : আওয়ামী লীগের যারা শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করতে এক এগারোর কুশীলবদের সাথে হাত মিলিয়েছিল তাদের ভুলে গেলে চলবে না।

এক এগারোর কুশিলবরা এখনও সক্রিয় আই তাদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবসের আলোচনায় এমন মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কারান্তরীণ দিবসে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজন করে আলোচনা সভার।

সভায় বক্তারা বলেন, দুর্নীতিবাজদের শায়েস্তা নয়, এক এগারো সরকারের উদ্দেশ্য ছিল রাজনীতিবিদদের চরিত্র হরণ করা। সে সময় সুবিধাবাদী কিছু রাজনীতিবিদ তাদের সাথে হাত মিলিয়েছিল। আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, সেদিন নেত্রী দৃঢ়তা দেখিয়েছিলনে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম বলেন, শেখ হাসিনাকে মাইনাস করে দেশ পরিচালনা করাই ছিলো ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে যারা কাজ করেছে তারা কি সবাই আওয়ামী বিরোধী?

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, তিনি ফোন করে বললেন আমাকে কি করবে আমি জানিনা। তবে, আমি দেখতে চাই আওয়ামী লীগের নেতারা কি পরিমাণ বিশ্বাস ঘাতকতা করতে পারে। দলের জেষ্ঠ্য নেতারা বলেন, ১/১১ এর কুশিলবরা এখনো সক্রিয় আছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আজও ধর্মান্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধীরা চক্রান্ত করছে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন কিছু মুখোশ পরিহিত বুদ্ধিজীবী।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, ১/১১ ষড়যন্ত্রে আওয়ামী লীগকে নানা পর্যুদস্ত ও ভাঙ্গার চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলো।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা বাংলাদেশে এখনও ১/১১ এর রঙিন খোয়াব দেখছেন তাদের সেই স্বপ্ন কখনই পূরণ হবে না। এ সময় নেতাকর্মীদের ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর যড়ষন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার আহ্বান জানান নেতারা।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালে ১৬ জুলাই বঙ্গবন্ধু কন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ষড়যন্ত্রমূলক গ্রেপ্তার করা হয়। ১৬ জুলাই ভোরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় দুই হাজার সদস্য শেখ হাসিনার বাসভবন ধানমন্ডির সুধাসদন ঘেরাও করে রাখে। পরে সকাল ৭টার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা শেখ হাসিনাকে সুধাসদন থেকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে।

সেদিন আদালতের গেটে দাঁড়িয়ে আধাঘন্টার বেশি সময় ধরে অগ্নিঝরা বক্তব্যের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মনোবল না হারিয়ে গণতন্ত্র রক্ষায় অন্যায়ের প্রতিবাদ করার আহ্বান জানান।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে