কালো টাকা সাদা করার রাজনৈতিক অর্থনীতি

প্রকাশিত: জুন ১, ২০২১; সময়: ৯:০৫ pm |
খবর > মতামত

মামুন রশীদ : যদিও তিনি চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় বলেছিলেন, এই সুযোগ কেবল এই অর্থবছরের জন্য। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সম্প্রতি এক সভা শেষে জানিয়েছেন, কালো টাকা সাদা করার সুযোগ আগামী অর্থবছরেও থাকছে।

তিনি অবশ্য কালো টাকাকে ‘কালো’ বলতে নারাজ। আগামী বাজেট সামনে রেখে তিনি এবার বলেছেন- ‘যতদিন অপ্রদর্শিত আয় থাকবে, ততদিন পর্যন্ত এ সুযোগ থাকবে।’ শুধু বর্তমান অর্থমন্ত্রী নন, তার পূর্বসূরিদের অধিকাংশই বাজেট প্রণয়নের সময় এ ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করেছেন।

আমরা জানি, প্রায় প্রতি বছরই বাজেটের প্রাক্কালে কালো টাকা সাদা করা-না করার বিষয়টি আলোচনায় আসে। অর্থনীতিবিদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষ এমনকি বেশকিছু ব্যবসায়ী নেতাও কালো টাকা সাদা না করার পক্ষে কথা বলেন। জাতীয় সংসদের বেশিরভাগ জনপ্রতিনিধিও সামাজিক আলোচনায় এমনকি কেউ কেউ প্রকাশ্যে তাদের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। কিন্তু যখন বাজেট পাস হয়, তখন দেখা যায় কালো টাকা সাদা করার বিধান যথারীতি বহাল থাকে। চলতি বছরও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় বেশ কিছু ব্যবসায়ী নেতা ও ‘বিশিষ্ট নাগরিক’ কালো টাকা সাদা না করার পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেছেন। কিন্তু অর্থমন্ত্রী যে তাদের বক্তব্য আমলে নেননি, তার সর্বশেষ বক্তব্যই তার প্রমাণ।

অনেকেরই মতে, কালো টাকা সাদা করার মাধ্যমে সেসব নাগরিককে মূলত বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়, যারা সম্পদের হিসাব ঠিকমতো দেন না এবং আয়কর ফাঁকি দেন। অন্যদিকে যেসব নাগরিক সরকারের আইন মেনে কর দেন, তাদের প্রতি অবিচার করা হয়। বাংলাদেশের আয়কর আইনানুযায়ী আয়ের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত কর দিতে হয়। সম্পদ সারচার্জ বিবেচনা করলে তা অবশ্য আরও বেশি। কিন্তু যারা কর ফাঁকি দিলেন বা দিয়েছেন, তারা ১০ শতাংশ হারে জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করে নিতে পারবেন।

গত জুনের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, অন্য আইনে যা-ই থাকুক না কেন, ১০ শতাংশ কর দিয়ে অপ্রদর্শিত জমি, বিল্ডিং, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্টের প্রতি বর্গমিটারের ওপর নির্দিষ্ট হারে এবং নগদ অর্থ, ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, সঞ্চয়পত্র, শেয়ার, বন্ড বা অন্য কোনো সিকিউরিটিজের ওপর ১০ শতাংশ কর প্রদান করে আয়কর রিটার্নে দেখালে অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ তা নিয়ে প্রশ্ন করতে পারবে না।

যদিও কালো টাকা আর অপ্রদর্শিত আয়ের সংজ্ঞা নিয়ে বেশ বিতর্ক আছে; অর্থমন্ত্রী হয়তো এই ইঙ্গিত দিতে চাইছেন, এর মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ জাতীয় অর্থনীতিকে পুষ্ট করবে, বিনিয়োগ বাড়বে কিংবা নিদেনপক্ষে করোনাকালে এককালীন আয়ের মাধ্যমে রাজস্ব বাড়বে। এ ক্ষেত্রে প্রায় সবাই মনে করেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ সরকার কখনোই কর ফাঁকিকে উৎসাহিত করতে পারে না। সরকারের উচিত সৎ করদাতাদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি কালো টাকার উৎস বন্ধ করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। এ ছাড়া করবিন্যাসে যেসব অসংগতি আছে, তাও অবিলম্বে সংশোধন করা জরুরি। অপ্রদর্শিত আয় কিংবা অবৈধ উপায়ে উপার্জন করে যদি কেউ ১০ শতাংশ জরিমানা দিয়ে রেহাই পেয়ে যান, কোনো কর্তৃপক্ষ তাকে প্রশ্ন করতে না পারে, তাহলে সৎ করদাতাদের নিরুৎসাহিত হওয়ারই কথা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ১০ হাজার ২২০ কোটি টাকা অপ্রদর্শিত আয় প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা কর দিয়ে বৈধ করেছেন ৭ হাজার ৪৪৫ জন করদাতা। এনবিআরের হিসাবে স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে জরিমানা দিয়ে বৈধ করা মোট টাকার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কোটি টাকা।

অনেকের মতে, এই পরিসংখ্যান অর্থমন্ত্রীকে যতই উৎসাহিত করুক না কেন, আয়কর ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও ন্যায্যতা ফিরিয়ে আনতে শিষ্টের লালন ও দুষ্টের দমন করতেই হবে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধের পরিধি আগের তুলনায় অনেক বিস্তৃত করা হয়েছে। জমি, ভবন ও অ্যাপার্টমেন্টের পাশাপাশি নগদ অর্থ, ব্যাংকে সঞ্চিত অর্থ, সঞ্চয়পত্র, বন্ড ও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করেছেন তারা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুসারে, অন্যান্য খাতের তুলনায় নগদ অর্থ বৈধ করার প্রবণতাই বেশি।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ১০ শতাংশ কর দিয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের বিপরীতে অর্থ বৈধ করেছেন ২ শতাধিক করদাতা। এ খাতে ২৬০ কোটি টাকা বৈধ করার বিপরীতে এনবিআর ২৬ কোটি টাকা কর পেয়েছে। জমি কেনার মাধ্যমে দেড় হাজারের বেশি করদাতা অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করেছেন। এ খাতে তারা কর দিয়েছেন ১২৪ কোটি টাকা। অ্যাপার্টমেন্ট কিনে অর্থ বৈধ করেছেন ২ হাজার ৬০০ করদাতা। এ বাবদ তারা সরকারকে ১২২ কোটি টাকা কর দিয়েছেন। নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত ও অন্যান্য আর্থিক স্কিমে বিনিয়োগের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করেছেন ৬ সহস্রাধিক করদাতা। এ বাবদ সরকার ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার বেশি কর পেয়েছে। সে হিসাবে এ খাতে বৈধ হয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এটি এনবিআরের বিভিন্ন কর অঞ্চল থেকে পাওয়া খসড়া হিসাব। চূড়ান্ত হিসাবে করদাতার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা।

জমি কেনার মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার বিষয়ে চলতি অর্থবছরের বাজেটে বলা হয়, এলাকাভেদে প্রতি বর্গমিটারের জন্য নির্ধারিত কর পরিশোধ সাপেক্ষে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল ও দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় প্রতি বর্গমিটার জমির জন্য ২০ হাজার টাকা কর দিতে হবে। ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ডিওএইচএস, মহাখালী, লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি, উত্তরা মডেল টাউন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, সিদ্ধেশ্বরী, কারওয়ান বাজার, বিজয়নগর, ওয়ারী, সেগুনবাগিচা, নিকুঞ্জ; চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ, খুলশী, আগ্রাবাদ ও নাসিরাবাদ এলাকার জন্য করের পরিমাণ ১৫ হাজার ৫০০ টাকা। অন্য সিটি করপোরেশন এলাকার জমির ক্ষেত্রে প্রতি বর্গমিটার ৫ হাজার টাকা, জেলা শহরের পৌরসভা এলাকায় ১ হাজার ৫০০ ও অন্য এলাকার জন্য ৫০০ টাকা হারে বাড়তি কর দিতে হবে। অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করতে অ্যাপার্টমেন্ট কেনার ক্ষেত্রেও এলাকাভেদে করের পরিমাণ ভিন্ন। এ ক্ষেত্রে গুলশান মডেল টাউন, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল ও দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকায় ২০০ বর্গমিটারের কম আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গমিটারের জন্য ৪ হাজার টাকা। ফ্ল্যাটের আয়তন এর বেশি হলে প্রতি বর্গমিটারের জন্য ৬ হাজার টাকা। ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা, ডিওএইচএস, মহাখালী, লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি, উত্তরা মডেল টাউন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, সিদ্ধেশ্বরী, কারওয়ান বাজার, বনশ্রী, বিজয়নগর, ওয়ারী, সেগুনবাগিচা, নিকুঞ্জ; চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ, খুলশী, আগ্রাবাদ ও নাসিরাবাদ এলাকায় ২০০ বর্গমিটারের কম আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গমিটারের জন্য ৩ হাজার টাকা এবং এর চেয়ে বেশি আয়তনের ফ্ল্যাটের জন্য সাড়ে ৩ হাজার টাকা। আর ঢাকা সিটি করপোরেশনের অন্য সব এলাকা ও অন্যান্য সিটি করপোরেশনে ১২০ বর্গমিটার ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গমিটারের জন্য ৭০০ টাকা, ১২০ থেকে ২০০ বর্গমিটারের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে ৮৫০ টাকা ও ২০০ বর্গমিটারের চেয়ে বেশি আয়তনের ফ্ল্যাটের জন্য ১ হাজার ৩০০ টাকা কর দিতে হবে। এ ছাড়া জেলা শহরের পৌরসভা এলাকায় একই আয়তনবিশিষ্ট ফ্ল্যাটের জন্য প্রতি বর্গমিটারে যথাক্রমে ৩০০, ৪৫০ ও ৬০০ টাকা এবং দেশের অন্য সব এলাকার ক্ষেত্রে একই আয়তনের ফ্ল্যাটের জন্য ২০০, ৩০০ ও ৫০০ টাকা কর ধার্য রয়েছে।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ বিষয়ে বাজেটে বলা হয়েছে, ১০ শতাংশ কর পরিশোধ করে পুঁজিবাজারে তিন বছরের জন্য এ অর্থ বিনিয়োগ করা হলে আয়কর কর্তৃপক্ষসহ সরকারের অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করতে পারবে না। গত বছরের ১ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে স্টক, শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড, বন্ড, ডিবেঞ্চার, সরকারি বন্ড ও সিকিউরিটিজ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদিত অন্য যে কোনো সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা যাবে। অবশ্য বাজারসংশ্নিষ্টদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অপ্রদর্শিত অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সময়সীমা তিন বছর থেকে কমিয়ে এক বছর করা হয়।

বাজেটে নগদ অর্থ, ব্যাংক আমানত, আর্থিক স্কিম ও ইনস্ট্রুমেন্ট, সব ধরনের আমানত ও সঞ্চয়ী আমানত এবং সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের মাধ্যমে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকৃত অর্থের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর প্রদান সাপেক্ষে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও আয়কর কর্তৃপক্ষসহ সরকারের অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করতে পারবে না।

আগেই বলা হয়েছে, বছরের পর বছর ধরে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি নৈতিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয় বলে অনেকেই মনে করেন। একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে এ সময়ের মধ্যে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করা না হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলে যাদের কাছে অপ্রদর্শিত অর্থ রয়েছে তারা এটি বৈধ করতে বাধ্য হবেন। তা ছাড়া উৎপাদনশীল খাত যেখানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, স্বাস্থ্য খাত কিংবা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবিলা সংক্রান্ত প্রকল্পে নির্দিষ্ট করে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হলে সেটি অধিকতর কার্যকর হতে পারে বলে তাদের বিশ্বাস।

আমার মনে হয়, ‘নুন আনতে পান্তা ফুরোয়’ অবস্থা বা ক্রমাবনতিশীল রাজস্ব আয়ের ভীতি এবং কর আদায়ে বা কর খাত সম্প্রসারণে অভিনব বা মোক্ষম কোনো অস্ত্র বের করতে না পারার গ্লানি এবং ব্যবসায়ী প্রভাবিত সরকারগুলোর ‘সবুজ সংকেত’ই এই কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। আবাসন খাত ও পুঁজিবাজারসংশ্নিষ্ট অনেকেই এ মর্মে জোর সুপারিশও করেছেন।

তবে এটা বোধ হয় কেউই ভাবছেন না যে, এতে আমাদের কর আদায় খুব একটা বাড়ছে না। ব্যবসায়ী বা বৃহৎ করদাতা বা এমনকি কর-সক্ষম জনগোষ্ঠীর বিশ্বাস, সরকার-পরম্পরায় এটি চলতে থাকবে। অর্থাৎ আমাদের মতো দুর্বল সুশাসনের দেশে জাতীয় পুঁজি সংবর্ধনের আর বোধ হয় কোনো পথ নেই। আমাকে নীতিনির্ধারকদের অনেকেই বলেছেন, তারা হয়তো সঠিকভাবে কর দেন না। তবে টাকা তো অর্থনীতিতে সার্কুলেশন হচ্ছে, কর্মসংস্থান হচ্ছে। কর ফাঁকির এই প্র্যাকটিস নাকি অন্য দেশেও আছে।

তবে আমার জানামতে, বিভিন্ন দেশে এ সুযোগ থাকলেও তা সীমিত বা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এবং ওইসব দেশের সরকার বালিশ বা সিন্দুকের ভেতর রাখা টাকাকে মূলধারায় নিয়ে আসার জন্য প্রায়ই ‘ডিমনিটাইজেশন’ কিংবা সমপর্যায়ের উদ্যোগ নিয়ে থাকে। সেখানে নগদ লেনদেনকে নিরুৎসাহিত করে ক্রেডিট কার্ড বা অনলাইন লেনদেনকে অনেক বেশি উৎসাহিত করা হয়। সেই সঙ্গে চলে রাজস্ব সংস্কার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাও। সূত্র-সমকাল

লেখক : অর্থনীতি বিশ্নেষক

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে