করোনার বিদায় সংবর্ধনা

দুঃসহ যন্ত্রনা এক ঘুরে ফিরে দিন-রাত; চিকিৎসাবাড়ির উঠানে পীড়িতের আহাজারি, তবুও নির্ভরতায় বাতিঘর অনেক অনেক দূর সরে গেছে; যেন..

‘মহামারী’

দেখিনি কোনো রক্তপাত প্রস্তুত কোন শস্বস্ত্র বাহিনী দেখেছি আমার নিস্তব্ধ শহর, দেখিনি রক্তে রঞ্জিত রাজপথ মিছিল, মিটিং অস্ত্রের প্রহার দেখেছি পৃথিবীতে লাশের বহর। শুনিনি কোনো গুলির শব্দ তবু আতঙ্কে কেটেছে সারা প্রহর, গোলাবারুদ..

অন্ধকার

এইযে চুপ করে সন্ধ্যা নামা এইযে রাতের সীমাহীন নিস্তব্ধতা, এইযে অসীম যন্ত্রনা গুলো বিষাদময় অন্ধকারে মিলিয়ে যাওয়া। এসব কেবল অন্ধকারের অসামান্য ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ! অন্ধকারের প্রতীক্ষা যখন দৈর্ঘ্য বাড়ায় তখন কেবল..

জোসনা বিলাস

তুমি আজ এত মোহনীয় কেন দেখছোনা পৃথিবী আজ কতটা থমকে গেছে! এখন কেউ সাগর স্নানে যায় না মধুচন্দ্রিমা সেও নির্বাসনে শুধু তুমিই আছো আগের মতো!! আমাদের স্বাধীনতা বলে কিছু নেই যুদ্ধ ছাড়াই এ গ্রহের বাসিন্দারা আজ আত্মসমর্পণ..

আছে আবার নেই

পুরো গ্রহটাই কেমন বদলে গেছে শূনশান নীরবতাই ছেয়েগেছে চারপাশ বন্ধু স্বজন সকলি সামাজিক দূরত্বে তবে স্মৃতিটা এখনো আছে আগের মত। বিশালাকার জাহাজের আনাগোনা কমেগেছে প্রমোদতরীর সৌখিন মানুষেরা নেমে গেছে অযাচিত কোন বন্দরে তবে..

জনতার পুলিশ

বাহুতে বল হাতে অস্ত্র বুকে সাহস অসীম দেশপ্রেম, বাংলাদেশ পুলিশ জনতার সম্পদ হবেই না শেষ। সকলকে সাথে নিয়ে প্রতিরোধে হবেই করোনা শেষ, সকল কাজেই থাকবে পুলিশের অবদানে দেশপ্রেম। যেখানেই জাতির প্রয়োজন সাহসের মশাল নিয়ে, পুলিশ..

কেউ একজন

কবি সুলতান মাহমুদ : আমি চাই, কেউ একজন আমার জীবনে এসে শুধুমাত্র বলুক; এখন থেকে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে হবে, এখন থেকে নতুন করে পরিকল্পনা সাজাতে হবে। আমি চাই, কেউ একজন ঘুম থেকে জাগাতে আমাকে সকালবেলা ডাকুক; এইযে শুনছো? তোমার..

করোনা চেনা অচেনা

চেনা শহর চেনা দেশ চেনা দুনিয়া এখন সবই অচেনা; কোভিড আতঙ্কে বিশ্ব আজ সত্যিই শঙ্কিত- অনেকে চেনা মানুষ হারিয়ে বাকরুদ্ধ; নিরুপায়ের আত্ম সমর্পণ। বিজ্ঞান কি করোনায় পরাজিত? নাকি মানব হত্যায় নেমেছে কোন দরদী শত্রু? নিরুপাই, নাকি..

মুজিব শতবর্ষে

তুমি নেই, অথচ তুমি আছো স্বদেশের ঘরে ঘরে- হৃদয়ে আঙ্গিনায়- পথে নদী খালে সবুজ প্রান্তরে বাংলার, গ্রহ-নক্ষত্র-সূর্যে কিংবা মহাকাশে-কোথায় নেই বলো মহামানব তুমি কালজয়ী, মহাকালজয়ী! শত কষ্টের দুঃখ ছুঁয়ে বাঙালির বরপুত্র তুমি পরাধীনতার..

উপরে