জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন, থানায় মামলা

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৩, ২০২১; সময়: ৩:৪১ pm |
খবর > জাতীয়

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : যশোরের শার্শায় সাবেক জামাইয়ের হাতে ছুরিকাঘাতে শ্বশুর আবু মুছা খুনের ঘটনায় ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) রাতে নিহতের স্ত্রী মুনিরা বেগম বাদী হয়ে শার্শা থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

ইতোমধ্যে মামলার ৭ আসামির মধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আবু মুছার সাবেক জামাই তুহিন, তুহিনের ভাই রুহিন ও তুহিনের বাবা কুদ্দুস। এদের মধ্যে দুজন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর বাকি এক আসামিকে বুধবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে যশোর আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

শার্শা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম খান জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার রাতে নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যা মামলায় ৭ জনের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য ৪ আসামি পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আগে গত ১২ অক্টোবর সকালে যশোর শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে সাবেক জামাইয়ের ছুরিকাঘাতে শ্বশুর খুন হন। এ সময় আরও একজন গুরুতর আহত হন।

নিহতের স্বজনরা জানান, চার বছর আগে আবু মুছার মেয়ের সঙ্গে একই এলাকার কুদ্দুসের ছেলে তুহিনের মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তার মেয়ে ও জামাইয়ের মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। এ জন্য গত দুই মাস আগে তার মেয়েকে জামাইয়ের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেন। এ সময় তার নাতিকে (২) তার বাবা তুহিন নিয়ে যায়।

মঙ্গলবার দুপুরে আবু মুছা তার নাতিকে আনতে তুহিনের বাড়িতে যায়। এ সময় তুহিন ও তার বাবাসহ পরিবারের লোকজন মুছাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। খবর পেয়ে মুছাকে উদ্ধার করতে তার ভাগনি জামাই ইমরার সেখানে গেলে তাকেও ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম করে তারা।

পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে মুছাকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসক। পরে এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করে পুলিশ। নিহত আবু মুছা শার্শা উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামের মনছের বিশ্বাসের ছেলে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে