৩০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান নজরদারিতে, যেকোনো সময় গ্রেপ্তার : সিআইডি

প্রকাশিত: অক্টোবর ১১, ২০২১; সময়: ৮:৩৭ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : দেশে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তারই প্রেক্ষিতে টাকা নিয়ে পণ্য ডেলিভারি না দেওয়া ও টাকা ফেরত না দেওয়া ৬০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের তালিকা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এগুলোর মধ্যে প্রায় ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে রাখা হয়েছে নজরদারিতে। এসব প্রতিষ্ঠান যারা চালাচ্ছেন যেকোনো সময় তাদের গ্রেফতার করা হতে পারে। (সোমবার) দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়।

সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি ইমাম হোসেন বলেন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সিআইডিও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান নিয়ে কাজ করছে। কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দিনের পর দিন পণ্য ডেলিভারি করছে না। কয়েকজন ভুক্তভোগী এ জন্য থানায় অভিযোগ করেছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের মালিকসহ কর্মকর্তাদের গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে ও সিআইডির অনুসন্ধানে ৬০টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়েছে। ৬০টির মধ্যে ৩০ থেকে ৩২টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সিআইডির নজরদারিতে রয়েছে।

এ ৬০টি প্রতিষ্ঠান এ পর্যন্ত গ্রাহকদের কত টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, কত টাকা হাতিয়েছে এটা হিসাব না করে বলা যাবে না। পরবর্তীতে হিসাব করে জানানো হবে।

এদিকে কম দামে পণ্য বিক্রির নামে প্রতারণা করে আড়াই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান উইকম ও থলে ডটকমের ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। এছাড়াও রিং আইডির মালিক কানাডা প্রবাসী শরিফ ইসলাম ও আইরিন ইসলামকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা নেবে বলেও জানিয়েছে সিআইডি।

সিআইডির অতিরিক্ত উপ মহাপরিদর্শক কামরুল আহসান জানান, প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২শ কোটি টাকা সিআইডির অনুরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক জব্দ করেছে। তবে রিং আইডির হাতিয়ে নেওয়া টাকার পরিমাণ আরও অনেক। সেই অর্থ কোথায় জমা আছে তা এখনো অজানা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে