দুই জান্নাতকেই ‘চুক্তিভিত্তিক’ বিয়ে করেন মামুনুল

প্রকাশিত: এপ্রিল ২০, ২০২১; সময়: ৯:৪৫ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দিতে দুই তালাকপ্রাপ্ত নারীকে বিয়ে করেছিলেন এবং ওই দুটি বিয়েই ছিল চুক্তিভিত্তিক।

সাত দিনের রিমান্ডের প্রথম দিনে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে এমনটাই জানিয়েছেন আলোচিত এই হেফাজত নেতা। এমনকি, মামুনুল প্রথম বিয়ে ছাড়া বাকি দুই বিয়ের সপক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি বলেও জানান পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশিদ।

মামুনুল হক জানিয়েছেন, ‘দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণা আর তৃতীয় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস লিপির সঙ্গে দীর্ঘদিন বসবাস করলেও বিয়ের কাবিন করেননি। তাদের দিকে মানবিক দৃষ্টি দিয়েছিলেন তিনি। ওই নারীদের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনাই ছিল তার প্রধান উদ্দেশ্য।’

মামুনুল জানান, রিসোর্টকাণ্ডে আগে এসব বিয়ের কথা স্বীকার করলে প্রথম স্ত্রী আমেনা তৈয়বা ঝামেলা করতেন বলে ধারণা। এজন্য তিনি বিষয়গুলো গোপন করেছিলেন।

এর আগে, গ্রেপ্তারের পর রোববার (১৮ এপ্রিল) রাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার হারুন অর রশিদ। সেখানে তিনি প্রথম বিয়ের কাবিন আছে, পরের দুটি বিয়ের কোন কাবিন নেই বলেও জানান।

হারুন অর রশিদ বলেন, বিয়ের স্বাক্ষীদের নাম প্রকাশের ব্যাপারে গড়িমসি করছেন মামুনুল। এসব বিয়ের সময় কারা সাক্ষী ছিলেন তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদের পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে, আলোচিত এই হেফাজত নেতার পরের দুই স্ত্রী গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছেন, প্রয়োজনে তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র। আর প্রথম স্ত্রী আমেনা তৈয়বা সন্তানদের নিয়ে বর্তমানে কোথায় আছেন তা জানতে পারেনি পুলিশ।

এর আগে, সোমবার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে মামুনুল হককে আদালতে তোলা হয়। মোহাম্মদপুরে ভাঙচুরের মামলায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

  • 101
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে