হেফাজতের ২৩ নেতার ব্যাংক হিসাব তলব যে কারণে

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২১; সময়: ৮:০৭ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : সন্দেহজনক লেনদেনের কারণেই হেফাজতের ২৩ নেতার ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চেয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা। এমনটাই মনে করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। এদিকে, বারবার জামিনের শর্ত ভাঙায় হেফাজতের আমির জুনায়েদ বাবুনগরীসহ সংগঠনের অন্য নেতাদের জামিন বাতিলে আইনি দক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবছে রাষ্ট্রপক্ষ।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর ঘিরে হেফাজতের তাণ্ডব দেখেছে সারাদেশ। সংগঠনটির সহিংসতায় জামায়াত-শিবিরের সম্পৃক্ততারও তথ্য দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সহিংসতার অর্থায়ন এবং হেফাজত আমীরের অনিয়ম নিয়েও মুখ খুলেছেন সাবেক নেতারা। এরই মধ্যে হেফাজতের আমীরসহ সংগঠনটির ২৩ নেতাকর্মীর ব্যাংক লেনদেনের তথ্য চেয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা। তথ্য চাওয়া হয়েছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৩০টি মাদ্রাসারও।

দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খানের ধারণা, সন্দেহজনক লেনদেনের কারণেই হয়ত এসব তথ্য চেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থাটি। তিনি বলেন, ‘আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে কোনো সন্দেহজনক লেনদেন এবং সন্ত্রাসে অর্থায়নের আলামত আছে কি না। যদি থাকে গোয়েন্দা সংস্থা তাদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট তৈরি করবে। রিপোর্ট তৈরি করে বিষয়টি অনুসন্ধান করে মামলা করা হবে।’

২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের তাণ্ডবের মামলায় বাবুনগরীসহ অনেক শীর্ষ নেতা আসামি হলেও আদালত থেকে জামিন পান। সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের উস্কানিতে বার বার সহিংসতা হলেও তাদের জামিন বাতিলের কোন পদক্ষেপ নেয়নি রাষ্ট্রপক্ষ। মূখ্য মহানগর হাকিম আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আবু বলেন, ‘জামিনের যে শর্ত, তারা যদি সেই শর্ত যদি ভঙ্গ করে থাকে সেক্ষেত্রে জামিন বাতিল হতে পারে। আমরা এ ব্যপারে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নিব।’

হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • 48
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে