রূপপুর আবাসনে ১১ কোটি টাকার অনিয়ম

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৪, ২০২০; সময়: ৪:০৮ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসন’ প্রকল্পে ১১ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ‘প্রকল্প বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ’ (আইএমইডি)। এই প্রকল্পের কেনাকাটায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, আইএমইডি তা ক্ষতিয়ে দেখবে আইএমইডি। এরপর প্রতিবেদন দেবে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে।

আইএমইডি সূত্র জানায়, সচিবের নির্দেশে ২০১০ সালের ১০ অক্টোবর প্রকল্পের নিয়মিত মনিটরিংয়ের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের টেন্ডারের রেকর্ডপত্র পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই প্রকল্পের গ্রিনসিটি আবাসন নির্মাণ ডিপোজিটরি ওয়ার্ক বাস্তবায়িত হচ্ছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে।

সর্বনিম্ন দরদাতা ছিল পারটেক্স ফার্নিচার। তারা ৪৪ কোটি ৯২ লাখ ৪৭ হাজার টাকার দরপত্র জমা দেয়। দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দর ছিল আরএফএল প্লাস্টিক লিমিটেড। তারা ৫৪ কোটি ৮৮ লাখ ১২ হাজার টাকা ও তৃতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা হাতিল দর দিয়েছিল ৫৫ কোটি ৯০ লাখ ৪৫ হাজার ৪১৯ টাকা। নিয়ম অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরদাতা পারটেক্স ফার্নিচারের কাজ পাওয়ার কথা। কিন্তু কাজ দেওয়া হয়েছে হাতিল ফার্নিচারকে। পাবনা গণপূর্ত বিভাগের এই অনিয়মের কারণে সরকারের ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ১১ কোটি টাকা।

সূত্র জানায়, সরকারের ১১ কোটি টাকা ক্ষতি হলেও হাতিলের পক্ষেই সাফাই গেয়েছেন টেন্ডার মূল্যায়ন কমিটি।

পারটেক্স ফার্নিচার লিমিটেডের মাধ্যমে দাখিল করা দরপত্রের টেন্ডার শর্ত অনুযায়ী দাখিল করা হয়নি। ফলে দরপত্রটি নন-রেসপন্সিভ হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়ে সব সদস্য একমত পোষণ করেন। এদিকে, আরএফএল প্লাস্টিক লিমিটেডের দাখিল করা দরপত্র নন-রেসপন্সসিভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এ বিষয়ে আইএমইডি সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, ‘রূপপুরে আবাসনের কেনাকাটায় ১১ কোটি টাকা অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে। এসব অনিয়ম খতিয়ে দেখতে প্রকল্প এলাকায় টিম যাবে।’ অনিয়মের তথ্য পেলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

  • 18
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে