বাংলাদেশেও করোনার সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০; সময়: ১২:৪০ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশেও পুনরায় সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামশর্ক কমিটি।

রোববার রাতে কমিটির সভাপতি কাজী শহিদুল্লাহ কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

একইদিন সকালে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও শীতে পরিস্থিতির অবনতির ঘটবে ধরে নিয়ে এখন থেকেই প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণও দেখা যাচ্ছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে সংক্রমণের মাত্রা অনেক বেশী। এছাড়া বিভিন্ন দেশের সাথে যোগাযোগ উন্মুক্ত হচ্ছে এবং হতে থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়েও জনসাধারণ এর মধ্যে এক ধরণের শৈথিল্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই সবগুলোর কারণে আমাদের দেশেও পুনরায় সংক্রমণের আশংকা রয়েছে।”

সেখানে জানানো হয়, দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ প্রতিরোধের পাশাপাশি সংক্রমণ হলে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেয়া হয় সভায়। দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ দ্রুত নির্ণয় এর লক্ষ্যে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়। দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে এখনই করণীয় বিষয়ে রোডম্যাপ প্রস্তুত করে সেই মোতাবেক পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করার পরামর্শ দেয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে রোডম্যাপ প্রস্তুতিতে জাতীয় পরামর্শক কমিটির সহযোগিতা কামনা করা হয়। জাতীয় পরামর্শক কমিটিও তার সাব-কমিটিগুলোর মাধ্যমে এই রোডম্যাপ প্রস্তুতিতে সহযোগিতা করার ব্যাপারে আশ্বাস দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কোভিড ১৯ হাসপাতালে অনেক শয্যা খালি থাকায় ব্যয় সংকোচন করতে শয্যা সংকোচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরামর্শক কমিটি।

সেখানে বলা হয়, “গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আমাদের দেশে সংক্রমণের হার নিম্নমুখী, যদিও এই হার স্বস্তিকর মাত্রায় এখনও পৌছেনি। সম্প্রতি কিছু কিছু হাসপাতালের শয্যা খালি থাকছে আবার অন্য দিকে অন্যান্য রোগের রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোন কোন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা একেবারেই কম, অন্যদিকে সেইসব হাসপাতালে অনেক সংখ্যায় চিকিৎসকসহ অনেক স্বাস্থ্যকর্মীরা যুক্ত রয়েছে, হাসপাতাল পরিচালনায় অনেক অর্থ ব্যয় হচ্ছে।”

“অন্যান্য রোগের রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এবং সাশ্রয় করতে কোভিড-১৯ হাসপাতালের অব্যবহৃত শয্যা সংখ্যা সংকোচনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জাতীয় পরামর্শক কমিটি মনে করে এখনও আইসোলেশন কেন্দ্রের প্রয়োজন রয়েছে। তাই সংকোচন করা হলেও পুরোপুরি বন্ধ না করে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে যাতে পুনরায় ব্যবহার করা যায় সেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়।”

প্রাদুর্ভাবের ছয় মাস পর এ পর্যন্ত দেশে করোনায় সনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৯১৮ জন যার মধ্যে মারা গেছেন ৪ হাজার ৯৩৯ জন।

  • 42
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • রাজশাহীতে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে আলু!
  • আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেরা রাজশাহীর তরুণের ছবি
  • কোভিডে বিশ্ববাজারে খাদ্যের দর বৃদ্ধি অব্যাহত, মজুদ বাড়াচ্ছে সরকারগুলো
  • এটি রাজশাহীর একটি সড়ক!
  • পাঠ্যপুস্তকে ‘বড় পরিবর্তন’ আসছে
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ের হার প্রায় ৭৩%, বিয়ে হচ্ছে গোপনে
  • রাজশাহী সিটিতে দুই রঙের অটোরিকশা চলাচল শুরু ১ নভেম্বর থেকে
  • বরেন্দ্রে কৃষকের স্বপ্নের ফসল যাচ্ছে ইঁদুরের পেটে
  • প্রাথমিকের সব শিক্ষকের বেতন ত্রয়োদশ গ্রেডে দেওয়ার নির্দেশনা
  • বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় থাকছে না মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার নম্বরের গুরুত্ব!
  • বদলে যাচ্ছে রাসিকের ৩০ ওয়ার্ডের রাস্তা ও ড্রেনের চিত্র
  • রাজশাহীতে কিশোর গ্যাংয়ের অর্ধেক মধ্যবিত্ত পরিবারের
  • রাজশাহীতে শিঘ্রই নৌবন্দর চালু
  • নওগাঁয় বাফার গুদাম নির্মাণের স্থান নিয়ে জটিলতা
  • নানা বিড়ম্বনায় পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন দর্শনার্থীরা
  • উপরে