সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২০; সময়: ৯:০৫ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়ে পেনশন সহজীকরণ আদেশ ২০২০ জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আলী খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ছুটি নগদায়ন মঞ্জুরির আদেশ বিল দাখিলের তিন কর্মদিবসের মধ্যে পেনশনভোগীর ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা চলে যাবে।

প্রজ্ঞাপনে পেনশনে যাওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোগান্তি কমাতে ছুটি নগদায়ন মঞ্জুরির আদেশ বিল দাখিলের তিন কর্মদিবসের মধ্যে পেনশনের অর্থ পেনশনভোগীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে। একইসঙ্গে মাসিক সুবিধার টাকা ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়ে দেয়া হবে। শুধু পেনশনের বিষয়টি দেখার জন্য প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগে একজন কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হবে।

আদেশে বলা হয়, অবসর নেয়া সরকারি কর্মচারী ও সরকারি কর্মচারীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে তাদের পরিবারের অবসর সুবিধা সঠিক সময়ে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে অর্থ বিভাগের জারি করা ‘বেসামরিক সরকারি কর্মচারীদের পেনশন মঞ্জুরি ও পরিশোধ সংক্রান্ত বিধি/পদ্ধতি অধিকতর সহজীকরণ আদেশ, ২০০৯’ কে নিম্নরূপ আদেশ দ্বারা প্রতিস্থাপন করার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা ‘সরকারি কর্মচারীগণের পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০’ নামে অভিহিত হবে।

নতুন জারিকৃত পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০ এ পেনশন সংক্রান্ত সব ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের বদলিতে এলপিসি ইলেকট্রনিক্যালি পূরণ করতে হবে এবং অনলাইনে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে। কোনও সরকারি কর্মচারী পিআরএলে যাওয়ার তিন বছর আগের কোনও কাগজপত্র, রেকর্ড বা না-দাবি প্রত্যয়নপত্র তার কাছে চাওয়া যাবে না।

আদেশে বলা হয়, অবসর নেয়ার আগে ইএলপিসি পাওয়ার এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ওই আবেদনে প্রাপ্য ছুটি, ছুটি নগদায়ন, ভবিষ্যৎ তহবিলের স্থিতি উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। এই আবেদন পাওয়ার পাঁচ মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করবে। বিশেষ করে সরকারের আদায়যোগ্য অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করে আদায়ের ব্যবস্থা করবে। এই প্রক্রিয়ার পর তিন মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ অবসরোত্তর ছুটি, ছুটি নগদায়ন ও পেনশন মঞ্জুরিপত্র জারি করবেন।

সেখানে বলা হয়, ছুটি নগদায়ন মঞ্জুরির আদেশ পাওয়ার পর বিল দাখিলের তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পেনশনভোগীর ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা চলে যাবে। প্রতি মাসের পেনশন পরবর্তী মাসের এক তারিখে পেনশনারের ইএফটি-এর মাধ্যমে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে।

পেনশন মঞ্জুরির কাগজপত্র প্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে পেনশন নির্ণয়-সংক্রান্ত হিসাব যথাযথভাবে যাচাইপূর্বক সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস পেনশন পরিশোধ আদেশ (পিপিও) জারি করা হবে। আনুতোষিকের টাকার চেক বা ইএফটি পিআরএল শেষ হওয়ার পর দিন চূড়ান্ত অবসরগ্রহণের দিন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিকট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে।

অনুত্তোলিত পেনশন এবং বকেয়া পেনশনের ক্ষেত্রে সাত কর্মদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তিকরণ: ইএফটি জেনারেট করতে হবে। অডিট আপত্তি থাকিলে ৩ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। বিভাগীয় মামলা থাকলে তা চূড়ান্ত অবসর গ্রহণের এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • মেয়র লিটনের দুই বছরে আলোকিত সিটি পেয়েছেন নগরবাসী
  • শীতে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে : প্রধানমন্ত্রী
  • অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদের মানববন্ধনে চড়াও নেসকো
  • সোনামসজিদে চালুর পরদিন ফের পেঁয়াজ আমদানী বন্ধ
  • রাজশাহীতে ঘুরে দাঁড়াতে চায় জাতীয় পার্টি
  • রাজশাহীতে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেরাই ধরা
  • খালেদা জিয়ার ৪ মামলার কার্যক্রম স্থগিতাদেশ বহাল
  • বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৩ কোটি ৬ লাখ, মৃত্যু ৯ লাখ ৫৫ হাজার
  • ভারত থেকে এলো নষ্ট পেঁয়াজ!
  • হু হু করে কমছে পেঁয়াজের দাম
  • ভয়ঙ্কর দুর্ভিক্ষ আসছে পৃথিবীতে
  • ইউএনও ওয়াহিদা জনপ্রশাসনে ওএসডি, স্বামীকে স্বাস্থ্যে বদলি
  • দেশে করোনায় আরও ৩২ মৃত্যু
  • সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ট্রাকভর্তি পেঁয়াজ আসা শুরু
  • ছয় মাস পর খুলেছে ঐতিহাসিক পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার
  • উপরে