শীতে রুটি নরম রাখার ৫ উপায়

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২১; সময়: ১১:০৯ am |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে রুটি খেয়ে থাকেন অনেকে। ব্যস্ততার কারণে দিনে ২ থেকে ৩ বার রুটি বানিয়ে খাওয়া সম্ভব হয় না। শীতের সময় রুটি বানানোর কিছুক্ষণ পরই তা শক্ত হয়ে যায়।

অনেকেই রুটি তৈরির সঠিক পদ্ধতি জানেন না। সংরক্ষণের উপায় জানলে রুটি বানিয়ে দীর্ঘক্ষণ নরম রাখা সম্ভব।

আটা যেভাবে মাখবেন

ভুসিযুক্ত আটায় বেশি ফাইবার থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। আটা নিন পরিমাপ মতো। এর মধ্যে লবণ মিশিয়ে নিন এক চিমটি। সামান্য তেল মিশিয়ে গরম পানি দিয়ে মাখিয়ে নিন। গরম পানি দিয়ে রুটি তৈরি করলে তা যেমন নরম হয়, তেমনি সহজে হজমেও হয়।

আটা মাখার পর পাতলা ভেজা কাপড় দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ঢেকে রাখুন।

জেনে নিন কীভাবে তৈরি করলে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা পর খেলেও রুটি একই রকম নরম থাকবে-

১. ভালো করে রুটি আটা মেখে নিতে হবে। লেচি কাটার আগে দেখুন, তা নরম আছে কিনা।

২. বেলার সময় রুটি ঘুরছে কিনা দেখুন। যতটা সম্ভব পাতলা করে রুটি বেলবেন।

৩. আগুনের ওপর রেখে যদি রুটি ফুলিয়ে নিতে পারেন, তা সবচেয়ে ভালো হবে। তাওয়া ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের বেশি রাখবেন না। এতে রুটি পুড়ে শক্ত হয়ে যাবে।

৪. রুটি সেঁকা হয়ে গেলে, গরম তাওয়ায় অল্প পানি দিয়ে রুটিগুলো সেই পানিতে একবার বুলিয়ে নিয়েই তুলে নিন। তারপর এয়ারটাইট পাত্রে রেখে দিন।

৫. হটপটে কিংবা লাঞ্চ বক্সে একটি ভেজা নরম কাপড় বিছিয়ে রাখুন। রুটি সেঁকা হয়ে গেলে তার মধ্যে রেখে দিন।

এ ছাড়া রুটি কখনও দ্বিতীয়বার গরম করবেন না। তা হলে তা আরও শক্ত হয়ে যাবে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে রুটি খেয়ে থাকেন অনেকে। ব্যস্ততার কারণে দিনে ২ থেকে ৩ বার রুটি বানিয়ে খাওয়া সম্ভব হয় না। শীতের সময় রুটি বানানোর কিছুক্ষণ পরই তা শক্ত হয়ে যায়।

অনেকেই রুটি তৈরির সঠিক পদ্ধতি জানেন না। সংরক্ষণের উপায় জানলে রুটি বানিয়ে দীর্ঘক্ষণ নরম রাখা সম্ভব।

আটা যেভাবে মাখবেন

ভুসিযুক্ত আটায় বেশি ফাইবার থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। আটা নিন পরিমাপ মতো। এর মধ্যে লবণ মিশিয়ে নিন এক চিমটি। সামান্য তেল মিশিয়ে গরম পানি দিয়ে মাখিয়ে নিন। গরম পানি দিয়ে রুটি তৈরি করলে তা যেমন নরম হয়, তেমনি সহজে হজমেও হয়।

আটা মাখার পর পাতলা ভেজা কাপড় দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ঢেকে রাখুন।

জেনে নিন কীভাবে তৈরি করলে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা পর খেলেও রুটি একই রকম নরম থাকবে-

১. ভালো করে রুটি আটা মেখে নিতে হবে। লেচি কাটার আগে দেখুন, তা নরম আছে কিনা।

২. বেলার সময় রুটি ঘুরছে কিনা দেখুন। যতটা সম্ভব পাতলা করে রুটি বেলবেন।

৩. আগুনের ওপর রেখে যদি রুটি ফুলিয়ে নিতে পারেন, তা সবচেয়ে ভালো হবে। তাওয়া ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের বেশি রাখবেন না। এতে রুটি পুড়ে শক্ত হয়ে যাবে।

৪. রুটি সেঁকা হয়ে গেলে, গরম তাওয়ায় অল্প পানি দিয়ে রুটিগুলো সেই পানিতে একবার বুলিয়ে নিয়েই তুলে নিন। তারপর এয়ারটাইট পাত্রে রেখে দিন।

৫. হটপটে কিংবা লাঞ্চ বক্সে একটি ভেজা নরম কাপড় বিছিয়ে রাখুন। রুটি সেঁকা হয়ে গেলে তার মধ্যে রেখে দিন।

এ ছাড়া রুটি কখনও দ্বিতীয়বার গরম করবেন না। তা হলে তা আরও শক্ত হয়ে যাবে।

  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে