অস্ট্রেলিয়ায় বুস্টার ডোজ পাচ্ছে ১৬-১৭ বছর বয়সীরা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৮, ২০২২; সময়: ৬:৫৩ pm |

 পদ্মাটাইমস ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারি প্রতিরোধে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের জন্য কোভিড-১৯ টিকার বুস্টার ডোজের অনুমোদন দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) এই অনুমোদন দেয় দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া ভাইরাসের অতিসংক্রামক ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে এই বয়সীদের দ্রুত বুস্টার ডোজ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিজিএ) জানিয়েছে, করোনাভাইরাস মহামারি প্রতিরোধে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের জন্য মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান ফাইজারের করোনার টিকার বুস্টার ডেজের অনুমোদন দিয়েছে তারা। এই অনুমোদনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ব্রিটেনের পথেই হাঁটল প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই দেশটি।

করোনা টিকাদানের হারে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশগুলোর একটি অস্ট্রেলিয়া। দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ার মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ৯৩ শতাংশেরও বেশি মানুষ করোনা টিকার উভয় ডোজ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে ইতোমধ্যেই বুস্টার ডোজ নিয়েছেন প্রায় ৩৫ শতাংশ মানুষ।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের করোনা টিকার আওতায় আনে অস্ট্রেলিয়া। এর মাধ্যমে প্রায় ২৩ লাখ অস্ট্রেলীয় শিশু করোনা টিকা পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

অবশ্য থেরাপিউটিক গুডস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিজিএ) ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের জন্য কোভিড-১৯ টিকার বুস্টার ডোজের অনুমোদন দিলেও কবে নাগাদ সেই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হতে পারে সেটি জানায়নি সংস্থাটি। টিজিএ বলছে, ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের বুস্টার ডোজ নেওয়ার সময় নির্ধারণ করবে দেশটির টিকাদান বিষয়ক পরামর্শদাতা গ্রুপ।

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের তাণ্ডবে অস্ট্রেলিয়ায় সম্প্রতি ভাইরাসের সংক্রমণ অনেক বেড়েছে। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে প্রায় ২৪ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এর মধ্যে প্রায় ২০ লাখ মানুষ ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন গত চার সপ্তাহে।

রয়টার্স বলছে, বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ায় করোনায় মারা গেছেন ৮৭ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে মোট ৩ হাজার ৪০২ জন মারা গেছেন। অন্য দেশগুলোর তুলনায় প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই দেশটিতে প্রাণহানির সংখ্যা অনেক কম।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে