দুই মাসে সর্বোচ্চ সংক্রমণ দেখল ভারত

প্রকাশিত: আগস্ট ২৮, ২০২১; সময়: ১:২৪ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : গত বেশ কিছুদিন ধরে ভারতে করোনায় দৈনিক সংক্রমণের যে নিম্নমুখী চিত্র দেখা যাচ্ছিল, তা হঠাৎই ঊর্ধ্বমূখি হয়েছে শুক্রবার। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত দুই মাসে করোনায় সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমনের রেকর্ড হয়েছে এই দিন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ হাজার ৮০৫ জন এবং এ রোগে এই দিন মৃত্যু হয়েছে ৫১৪ জনের। গত প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে ভারতের ২৮ রাজ্য ও ৮ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে আছে দেশটির সর্বদক্ষিণের রাজ্য কেরালা। শুক্রবারও তার ব্যতিক্রম ছিল না। এইদিন কেরালায় নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৩২ হাজার ৮০১ জন।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শনিবারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেরালায় বর্তমানে প্রতিদিন করোনা শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ২২ শতাংশ। অর্থাৎ, প্রতিদিন যেসব মানুষ করোনা টেস্ট করাচ্ছেন, তাদের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ২০ জনই শনাক্ত হচ্ছেন করোনা পজিটিভ হিসেবে।

অন্যদিকে, শুক্রবার করোনা মৃত্যুর হিসেবে শুক্রবার শীর্ষে ছিল ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই দিন মহারাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৭০ জনের। ভারতে গত টানা ২৮ দিন ধরে ভারতে ‘করোনা পজিটিভ’ হিসেবে দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশের কম আছে, শুক্রবার সংক্রমণ বাড়লেও এই ধারা অব্যাহত ছিল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে ভারতে করোনা পজিটিভ হিসেবে দৈনিক শনাক্তের হার ২ দশমিক ১৯ শতাংশ।

অন্যদিকে, দেশটিতে করোনা থেকে সুস্থতার হার বর্তমানে ৯৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। শুক্রবার ভারতে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৩১ হাজার ৩৪১ জন এবং বর্তমানে দেশটিতে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৪১৪। ভারতে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি, কেরালায়। তার পর থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৯ হাজার ১৩০ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৪০৩ জন।

চলতি বছর ১৬ জানুয়ারি থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে ভারত। শনিবারের বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কর্মসূচিতে এ পর্যন্ত ৬২ কোটি ২৯ লাখেরও বেশি করোনা টিকার ডোজ ব্যবহার করা হয়েছে।

  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে