ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সহিংসতা: জরুরি আলোচনায় ইইউ

প্রকাশিত: মে ১৬, ২০২১; সময়: ৭:১৮ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষ ইস্যুতে জরুরি ভার্চুয়াল সভায় বসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। রোববার (১৬ মে) এক টুইট বার্তায় ব্লকের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল এ কথা জানান।

টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যেকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের বিষয়ে গত মঙ্গলবারই (১১ মে) ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি ভার্চুয়াল সভার আহ্বান জানিয়েছি। ইইউ কীভাবে চলমান সহিংসতা থামানোর জন্য সর্বোত্তম চেষ্টা করবে, তা নিয়ে আলোচনা হবে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা সপ্তম দিনেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। রোববার বোমা হামলায় ৩৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন বহু মানুষ। এদিন ২টি ভবন উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১০ মে) শুরু হওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে গাজায় এ পর্যন্ত ৫২ শিশুসহ ১৮০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এসময় আহত হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ। ইসরায়েলে নিহত ২ শিশুসহ ১০ জন নিহত হয়েছেন।

রক্তক্ষয়ী সহিংসতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানবিক সংকট বাড়ছে। ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বাড়িঘর ছেড়ে পালাচ্ছে। জাতিসংঘ বলছে, ক্রমাগত ইসরায়েলি হামলায় ১০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি বাড়ি ছেড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিন নামের যে এলাকা, সেটি ছিল অটোমান সাম্রাজ্যের অধীন। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অটোমানদের পরাজয়ের পর ব্রিটেন ফিলিস্তিনের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তখন ফিলিস্তিনে যারা থাকতো তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল আরব, সেই সঙ্গে কিছু ইহুদি, যারা ছিল সংখ্যালঘু।

ইহুদিরা এই অঞ্চলকে তাদের পূর্বপুরুষদের দেশ বলে দাবি করে। কিন্তু আরবরাও দাবি করে এই ভূমি তাদের এবং ইহুদিদের জন্য সেখানে রাষ্ট্র গঠনের চেষ্টার তারা বিরোধিতা করে।

১৯৬৭ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ইসরায়েল পূর্ব জেরুসালেম দখল করে এবং ১৯৮০ সালে পুরো শহরকে সংযুক্ত করে। তবে তাদের এমন পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কখনও স্বীকৃতি পায়নি।

  • 11
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে