ভারতে একদিনে করোনাভাইরাসে সর্বোচ্চ শনাক্ত ৩৫,৮৭১

প্রকাশিত: মার্চ ১৮, ২০২১; সময়: ২:০৪ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৩৫ হাজার ৮৭১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। চলতি বছরে এটিই এক দিনে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত। এ নিয়ে ভারতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে এক কোটি ১৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬০৫ জনে দাঁড়াল। সংক্রমণের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে ভারতের অবস্থান বর্তমানে তৃতীয়তে।

একই সময়ে মারা গেছেন আরও ১৭২ জন। গত দুই মাসে এটিই এক দিনে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত দেশটিতে মৃত্যুবরণ করেছেন এক লাখ ৫৯ হাজার ২১৬ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৭ হাজার ৭৪১ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন এক কোটি ১০ লাখ ৬৩ হাজার ২৫ জন। ভারতে মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ৪১ শতাংশ।

আজ বৃহস্পতিবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ নিয়ে আট দিন ধরে দেশটিতে দৈনিক ২০ হাজারেরও বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হচ্ছে। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর এক দিনে ২৬ হাজার ৬২৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। এরপর থেকে গত দুই মাস ধরে দৈনিক শনাক্ত ও মৃত্যু কমলেও মার্চে আবার ধীরে ধীরে তা বাড়তে শুরু করেছে।

দেশটিতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। গতকাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় তাদেরকে দ্রুত ও যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

দেশটিতে মোট শনাক্ত এক কোটি ১৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬০৫ জনের মধ্যে বর্তমানে আক্রান্ত রয়েছেন দুই লাখ ৫২ হাজার ৩৬৪ জন।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১০ লাখ ৬৩ হাজার ৩৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আর এখন পর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩ কোটি তিন লাখ ১৩ হাজার ১৬৩টি নমুনা।

উল্লেখ্য, গত ৩০ জানুয়ারি ভারতে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণের দিক থেকে বর্তমানে বিশ্বে ভারতের অবস্থান তিন নম্বরে। ভারতের আগে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল।

জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ কোটি ১১ লাখ ৬০ হাজার ৯৯ জন এবং মারা গেছেন ২৬ লাখ ৮০ হাজার ৪১০ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ছয় কোটি ৮৭ লাখ ১৬ হাজার ৮৪১ জন।

  • 41
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে