দেশজুড়ে গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ চলবে ৬ দিন

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১; সময়: ১০:২৭ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের গণ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় দ্বিতীয় ডোজ মঙ্গলবার থেকে দেওয়া শুরু হবে, চলবে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তবে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাদানের সময়সূচীতে কিছুটা পরিবর্তন এনে তিন দিন দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এর আগে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল ছয় দিন।

দেশের অন্যান্য এলাকায় ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় দিন দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম। গণটিকা কর্মসূচির আওতায় টিকাগ্রহীতারা যে কেন্দ্র থেকে প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছিলেন, দ্বিতীয় ডোজও সেই কেন্দ্র থেকেই নিতে হবে।

সোমবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড.আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে কোভিড-১৯ টিকাদান সংক্রান্ত সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। গত ৭ থেকে ১২ অগাস্ট পর্যন্ত সারাদেশের উপজেলা, জেলা, সিটি করপোরেশন পর্যায়ে গণ টিকাদান কর্মসূচি চলে। কর্মসূচিকালে ৩০ লাখ ডোজের বেশি টিকা দেওয়া হয়।

ডা. খুরশীদ বলেন, মঙ্গলবার থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা দ্বিতীয় ডোজ টিকাদান চলবে। সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেওয়া হবে তিন দিনে। সব করপোরেশন এলাকায় ৭ ও ৮ অগাস্ট যারা প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন তারা একই কেন্দ্রে ৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ডোজ নেবেন। একইভাবে ৯ ও ১০ অগাস্টে প্রথম ডোজ গ্রহণকারীরা ৮ সেপ্টেম্বর এবং ১১ ও ১২ অগাস্ট প্রথম ডোজ নেওয়া ব্যক্তিরা ৯ সেপ্টেম্বর একই কেন্দ্রে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেবেন।

করোনাভাইরাস মহামারী নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে বড় পরিসরে টিকাদানে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির শেষ দিনে বৃহস্পতিবার রাজধানীর সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে সকাল থেকে ছিল মানুষের দীর্ঘ লাইন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

মহাপরিচালক জানান, এরমধ্যে যারা টিকা নিতে পারবেন না তারা ১০ সেপ্টেম্বর টিকা দিতে পারবেন। সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৭ অগাস্ট যারা যে কেন্দ্রে প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন তাদের একই কেন্দ্রে ৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেবেন। পরের তারিখগুলোয়ও ধারাবাহিকভাবে টিকা দেওয়া হবে, যোগ করেন তিনি।

ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে এই ভিডিও কনফারেন্সে সব সিটি করপোরেশনের মেয়র, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব, সব বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, প্রত্যেক জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনরা অংশ নেন।

  • 44
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে