বাগমারায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্তে অপকর্মের সত্যতা পেয়েছে

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১, ২০২১; সময়: ৬:৪১ pm |

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাগমারা : রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের দায়ীত্ব প্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা: ফারাদিবার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তারা। বুধবার বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে রাজশাহী জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক ও মেডিকেল অফিসার ডা: আব্দুল মান্নান তদন্তের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন। তদন্তের শুরুতেই ডা: ফারাদিবার সকল অপকর্মের বহি:প্রকাশ ঘটান উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সকল কর্মচারীরা। তার এমন কর্মকান্ডে কথা শুনে হতভাগ হন তদন্তকারী দলের সদস্যরা। এমন কর্মকান্ডের বিষয়ে অবগত হয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়ে সকল কর্মচারীদের নিষ্ঠার সাথে দায়ীত্ব পালনের আহবান জানান।

বাগমারা উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের দায়ীত্ব প্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার ডা: ফারাদিবার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহারে অতিষ্ট ও অফিসে অনুপস্থিতসহ নানা ধরনের কর্মকান্ড নিয়ে গত ২৮ ও ২৯ আগষ্ঠ অনলাইনসহ কয়েকটি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বাগমারা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মচারীরা উপ-পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা রাজশাহী বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

রাজশাহী পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের নির্দেশ মোতাবেক বুধবার বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক ও মেডিকেল অফিসার ডা: আব্দুল মান্নান ঘটনাটি তদন্তের জন্য বাগমারায় আসেন। তদন্তকারী দলের কর্মকর্তারা অফিসের অভিযোগকারীসহ সকল কর্মচারীদের সাথে একে একে কথা বলেন এবং ঘটনার সত্যতা পান।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তদন্তকারী দলের কর্মকর্তা জেলা পরিবার পরিকল্পনা রাজশাহীর সহকারী পরিচালক (প:প:) আব্দুর রাজ্জাক তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত কার্যক্রম শেষ হয়েছে। বিষয়টি লিখিত ভাবে উপ-পরিচালক মহদোয়কে অবগত করা হবে। তিনিই ওই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

ডা: ফারাদিবা বাগমারায় যোগদানের পর থেকেই তিনি নিজের ইচ্ছামত চলাফিরা করেন। বাগমারায় মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করা থাকলেও তিনি সপ্তাহে একদিন অফিস করতেন। তার দ্বারা অদ্যবদি কোন গর্ভবতি নারী সেবা পায়নি। তিনি অফিসে আসলেও সব সময় মুঠোফোন নিয়ে ব্যবস্ত থাকতেন। অনেক সময় রোগীরা অধর্য্য হয়ে হাসপাতাল থেকে চলে যেতেন। কর্মচারীরা বললে তিনি সকল কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচরন করতেন।

  • 44
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে