অনিয়মের আখড়া পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

প্রকাশিত: মার্চ ২০, ২০২১; সময়: ৫:২৪ pm |

মোহাম্মাদ আলী, পুঠিয়া : রাজশাহীর পুঠিয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসদের উপস্থিত না থাকায় জনগণকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার উদাসিনতা কে দায়ী করছেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৮ জন চিকিৎসক পদ রয়েছে। এর মধ্যে ২৩ জন চিকিৎসক কর্মরত আছে। এর মধ্যে ৭টি সাব-কেন্দ্রে ৭ জন চিকিৎসক আর ১৬ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন করেন।

শনিবার দুপুরে রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ইন ডোরে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মুনজুর রহমান, জরুরী বিভাগে ডা. শামসুল আলম (২৪ ঘন্টা), ইনডোরে ডা. রওনক আফরোজ এবং বর্হির বিভাগে মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রাজ্জাক ও ডা. ইমরুল বাহার এবং জুনিয়ার কনঃ (অর্থো-সার্জরী) ডা. সাঈদ আহম্মেদ এই তিনজন চিকিৎসক ডিউটিতে ছিলো।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাজমা আক্তার তিন দিনের ছুটিতে থাকায় তিনি আসেন নি। কিন্তু আর বাকি চিকিৎসকরা হাসপাতালে আসেননি। চিকিৎসকরা ইচ্ছেমত অফিস করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আর জুনিয়ার কনঃ (গাইনী) ডা. ফারজানা নাজনীন শনিবার এবং গত বৃহস্পতিবার তিনি অফিসে আসেনি বলে জানা গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শনিবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটে গিয়ে দেখা গেছে ডা. আব্দুর রাজ্জাক তার রুমে বসে আসেন। আর বাকি সব চিকিৎসকের রুম বন্ধ। এরপর দেখা যায় ডা. সাঈদ আহম্মেদ তার রুম খুলে বসে আছে।

সে সাংবাদিকদের উপস্থিত দেখতে পেয়ে রোগীদের সেবা দেওয়া বাদ রেখে তিনি তার মোবাইল ফোন দিয়ে সাংবাদিকের ছবি তোলতে থাকে। এরপর গাইনী ডাক্তারের আউট সোসসিং পিয়ন বিথী রানীকে দিয়ে মোবাইলে ছবি তোলাতে থাকে।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুর রাজ্জাক জানান, আমি তিন দিনের জন্য অতিরিক্ত দায়িত্বে আছি। আমি রোষ্টার দেখার পর বিস্তারিত বলতে পারবো।

উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভূমি রুমানা আফরোজ বলেন, আমি অতিরিক্তি দায়িত্বে আছি। বিষয়টি আমি স্যারকে জানাবো। আর বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে পরিবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • 142
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে