আমলকি বেশি খেলেই মারাত্মক বিপদ

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৪, ২০২০; সময়: ১২:২৮ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : একটি কমলাতে যে পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে তার চেয়েও কয়েক গুণ বেশি থাকে আমলকিতে। শরীরের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল হলো আমলকি। তবে আমলকি বেশি পরিমাণে খেলে ঘটতে পারে মারাত্মক বিপদ।

শীতকালে ভাইরাল ফিবার, হজমের অসুবিধাসহ একাধিক সমস্যা দেখা দেয়। তাপমাত্রা কমার জন্য বায়ুদূষণের পরিমাণও বাড়তে থাকে। ফলে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানিসহ ফুসফুসে নানা ধরনের সংক্রমণ দেখা যায়।

এই পরিস্থিতিতে ভিটামিন সি খাওয়ার কিল্প আর কিছু নেই। এর মধ্যে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট একাধিক রোগের হাত থেকে বাঁচতে পারে।

আমলকি খেলে লিভার ভালো থাকে। সেইসঙ্গে ব্লাড প্রেসারের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় চুল ঠিক তো থাকেই, পাশাপাশি দ্রুত বয়সবৃদ্ধি রোধ থেকে শুরু করে রোগপ্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি ও সেলুলার ড্যামেজও রোধ করতে পারে আমলকি। সর্বোপরি শ্বাসযন্ত্র ভালো রাখে এই ফল। তাই দূষণ বা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে পারে আমাদের ফুসফুস।

জুসের চেয়ে আমলকি চিবিয়ে খাওয়াই ভালো। এই শীতের সময়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় আমলকি। তাই শীতের সময়ে যখন ফলন বেশি হচ্ছে, তখন পুরো ফল খাওয়ার সুযোগ নিতে হবে।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ থেকে ২টি আমলকি খাওয়া যায়। এতে সবচেয়ে বেশি উপকার হয়। তবে দিনে দুই একটির বেশি আমলকি খাওয়া ঠিক নয়। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। এর জেরে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।

আমলকি টক হওয়ায়, অনেকেই এটি কাঁচা খেতে পারেন না। এই টকভাব কমাতে আমলকিকে ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে একটু লবণ-মরিচ মিশিয়ে খাওয়া যায়। অল্প লবণ ও হলুদ দিয়ে আমলকি সামান্য সিদ্ধ করেও খেতে পারে। আবার আমলকির চাটনি বানালেও মন্দ লাগবে না।

তবে কিছু ক্ষেত্রে ফলটিকে এড়িয়ে যাওয়া ভালো। যদি কোনো সার্জারি হয়ে থাকে বা ব্লাড থিনিংয়ের কোনো ওষুধ খাওয়া হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আমলকি খাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অন্তঃসত্ত্বা বা যারা বাচ্চাকে স্তন্যপান করাচ্ছেন, তাদেরও আমলকি এড়িয়ে যাওয়া ভালো।

  • 5
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে