এখনো ধোরাছোঁয়ার বাইরে সেই চিকিৎসক

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২০; সময়: ৫:১১ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : টেস্ট না করেই করোনাভাইরাস সংক্রমণের সনদপত্র দিয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করা জেকেজি হেলথকেয়ারের কয়েকজন কর্মকর্তা কারাগারে থাকলেও এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। জেকেজি হেলথ কী করে করোনার নমুনা সংগ্রহের অনুমতি পেল, পরীক্ষা ছাড়াই করোনার রিপোর্ট প্রদানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেউ জড়িত রয়েছেন কিনা- এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দারা।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রেজিস্ট্রার চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেও তিনি ছিলেন জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান। এই পরিচয়ে তিনি স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন এবং কথা বলতেন গণমাধ্যমের সঙ্গে।

এটি সরকারি চাকরি বিধিমালার সুষ্পষ্ট লংঘন। তার আবেদনেই জেকেজি হেলথকেয়ার করোনার নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপনের কাজ পায়। তিনি নিজে জেকেজির কর্মীদের তিতুমীর কলেজে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। অথচ তারই প্রতিষ্ঠান করোনা টেস্টের নামে দিনের পর দিন মানুষকে ঠকিয়ে আসছিল তার প্রতিষ্ঠান। প্রতারণার দায়ে স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন ৬ জন।

যদিও এখন জেকেজি’র দুর্নীতি ধরা পরবার পরে ডা. সাবরিনা দাবি করেছেন, তিনি ১ মাস আগেই পদ ছেড়ে দিয়েছেন। আবার বলছেন যে তিনি কখনওই চেয়ারম্যান ছিলেন না, সবাই নাকি মুখে মুখে ডাকতো। অনলাইনে এই সেলিব্রিটির বহু ভিডিও ক্লিপিংস আছে যেখানে তিনি নিজেকে জেকেজির চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, জেকেজি হেলথকেয়ারের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত অনেকটাই গুছিয়ে আনা হয়েছে। তাদের সন্দেহ, এর পেছনে জড়িত রয়েছেন প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও। ডা. সাবরিনার কর্মকাণ্ডও অনুসন্ধান করছে পুলিশ।

তেজগাঁও জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো.হারুন অর রশিদ বলেন, তাদের সঙ্গে সমাজের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সম্পর্ক থাকতে পারে। তাই আমরা তদন্ত করে দেখছি এর সঙ্গে অন্য দফতরের কোন কর্মকর্তা জড়িত রয়েছেন কি না। এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে কি না সেটাও আমরা তদন্ত করে দেখছি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, ওরা তো নমুনা সংগ্রহ করার জন্য আমাদের সাথে একটা চুক্তি করেছিল। সেটা তো আমরা সেদিনই বাতিল করে দিয়েছি। সেটা তো ওভাল গ্রুপের (জেকেজি হেলথ কেয়ার) তাদের সাথে তো আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমাদের তো ছিল, তারা নমুনা সংগ্রহ করতে সাহায্য করবে। আমরা সেদিনই বাতিল করেছি।

পুলিশ জানিয়েছে, জেকেজির প্রতারণার সাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কারা জড়িত, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে তেজগাঁও জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো.হারুন অর রশিদ বলেন, তারা যে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিয়েছে, সেটা কিন্তু আমরা এখনো দেখিনি। এ ধরনের জালিয়াতির সঙ্গে যারাই জড়িত থাকবে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। দ্রুতই জড়িতদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • এবারো ঈদে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত থাকবে শিবগঞ্জের সাদিয়া ক্লিনিকে
  • করোনার ওষুধ তৈরির দাবি রাজশাহীর হোমিও চিকিৎসকের (ভিডিওসহ)
  • যেভাবে রূপ বদলে টিকে আছে করোনাভাইরাস
  • ওষুধ খেয়ে পিরিয়ডে বাধা দেয়ার পরিণতি
  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন ডিজি ডা. খুরশীদ
  • স্বাস্থ্য ডিজি’র নিয়োগ বাতিল
  • করোনাভাইরাস বেশি ছড়াচ্ছে ঘর থেকেই : গবেষণা
  • পটল খেলে যেসব জটিল রোগের মুক্তি
  • করোনা ভ্যাকসিন বিনামূল্যে সবার আগে পাবে বাংলাদেশ
  • অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন কার্যকর এবং নিরাপদ
  • বাড়িতে বসে ২০ মিনিটেই অ্যান্টিবডি টেস্ট
  • দেশে করোনার নতুন ৮ বৈশিষ্ট্য শনাক্ত
  • ঘন ঘন প্রস্রাবের সমস্যার প্রতিকার
  • তানোরে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা
  • করোনার নতুন লক্ষণ
  • উপরে