প্রাইভেট হাসপাতালের ব্যায়ভার কমানোর তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১২, ২০১৯; সময়: ৭:০০ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : দেশের প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর ব্যায়ভার কমানোর আহবান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। তিনি বলেন, দেশে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে হলে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি প্রাইভেট হাসপাতালগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট কর্তৃক আয়োজিত “সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা দিবস-২০১৯” উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সরকারী হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকলেও প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতে ব্যায়ভার অনেক বেশি, যা সাধারণ মানুষের জন্য মিটানো কষ্টকর। তাই প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর উচিত সাধারণ রোগীদের স্বাস্থ্য সেবার কথা চিন্তা করে ব্যায়ভার কমানো।

তিনি বলেন, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা আমাদের আশেপাশের দেশগুলোসহ উন্নত বিশ্বেও হয়নি। তবে আমাদের দেশে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা অনেকাংশেই বাস্তবায়িত হয়েছে। আমরা প্রাইমারি হেলথ কেয়ার, কমিউনিটি ক্লিনিকসহ উপজেলা, জেলা হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এর অবদানস্বরুপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভ্যাক্সিন হিরো পুরস্কার পেয়েছেন। এসব কাজগুলোকে আমরা সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা হিসাবে ধরে নিতে পারি।

চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ লোকই গ্রাম এলাকায় বসবাস করে। তাদেরকে আমরা বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। তবে শুধুমাত্র নামমাত্র সেবা দিলেই হবে না, ভাল ও উন্নত সেবা দিতে হবে। গ্রামের অধিকাংশ মানুষই নিম্ন আয়ের মানুষ, তাদের আর্থিক দিকটা আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে। দেশের কথা ও নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষদের কথা চিন্তা করে সর্বোত্তম সেবাটাই আপনাদেরকে দিতে হবে। তবেই দেশে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা বাস্তবায়িত হবে।

জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের আন্তরিকতার কোন ঘাটতি নেই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের অনেক সমস্যা আর সংকট রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো জনবল সংকট। আমাদের হাসপাতাল আছে, যন্ত্রপাতি আছে কিন্তু এগুলো পরিচালনা করার মতো দক্ষ জনবল নেই। আমরা কাজ করে যাচ্ছি, স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আগামীতে কোন সংকট থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মূল বাজেটের মধ্যে স্বাস্থ্যখাতে বাজেট মাত্র ৪.৫০ %। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় স্বাস্থ্যখাতে আমাদের বাজেট অনেক কম। এতো অল্প বাজেট নিয়ে আমাদের মতো এতো ভালো কাজ করার ইতিহাস বিরল। এর সব অবদান আমাদের ডাক্তার নার্সদের। প্রধানমন্ত্রী এগুলো খেয়াল রাখছেন, আগামীতে আমাদের বাজেট আরও ভালো হবে বলে আমরা আশা করছি।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা ও পরিবার কল্যান বিভাগের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী একেএম মহিউল ইসলাম প্রমূখ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • ৫ মিনিটেই কোভিড-১৯ টেস্টের প্রযুক্তি আনলো আমিরাত
  • রামেক হাসপাতালে আবারো করোনা পরীক্ষা শুরু
  • গর্ভকালীন পরিচর্যা ও স্বাস্থ্যসেবা
  • বিশ দিনে আরও ৫০ হাজার কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত
  • যেভাবে জীবাণুমুক্ত করা যাবে এন-৯৫ মাস্ক
  • করোনা থেকে সুস্থ হলেও মারাত্মক ক্ষত থাকছে ফুসফুসে
  • করোনার প্রথম সারির তিন ভ্যাকসিন সম্পর্কে যা জানা দরকার
  • আসছে করোনার নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি
  • হার্ট অ্যাটাক কী, জেনেনিন এটি রোধে করণীয় সম্পর্কে
  • কচুয়ায় সিএইচসিপির স্বাস্থ্য সেবায় সন্তুষ্ট এলাকাবাসি
  • এবারো ঈদে চিকিৎসা সেবা অব্যাহত থাকবে শিবগঞ্জের সাদিয়া ক্লিনিকে
  • করোনার ওষুধ তৈরির দাবি রাজশাহীর হোমিও চিকিৎসকের (ভিডিওসহ)
  • যেভাবে রূপ বদলে টিকে আছে করোনাভাইরাস
  • ওষুধ খেয়ে পিরিয়ডে বাধা দেয়ার পরিণতি
  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন ডিজি ডা. খুরশীদ
  • উপরে