সালমান শাহের ‘স্বপ্নের ঠিকানা’র ২৭ বছর

প্রকাশিত: মে ৪, ২০২২; সময়: ১:৫৩ pm |
খবর > বিনোদন

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ব্যবসাসফল ছবি ‘বেদের মেয়ে জোসনা’। এরপর যে ছবিটিকে বেশি সফল বলা হয় সেটি হচ্ছে ‘স্বপ্নের ঠিকানা’। ঢালিউডের বরপুত্র সালমান শাহ ও জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর অভিনীত ছবিটি ১৯৯৫ সালের ১১ মে ঈদ উপলক্ষ্যে মুক্তি পায়। পরিচালনা করেন এম এ খালেক।

‘অচিরেই আসছে আপনার প্রেক্ষাগৃহে/শাশ্বত প্রেমের অবিস্মরণীয় চিত্ররূপ’— এমন ক্যাপশনে ছাপা হয়েছিলো ‘স্বপ্নের ঠিকানার’ পত্রিকার বিজ্ঞাপন। গল্প আহামরি না হলেও দর্শক হৃদয়ে দিয়েছিল দোলা। স্বপ্নের ঠিকানাকে বলা হয় বাংলা চলচ্চিত্রের বেদের মেয়ে জোসনার পরে সবচেয়ে জনপ্রিয় ছবি। এ ছবির গানগুলো বেশ জনপ্রিয়তা পায়। ‘এইদিন সেইদিন কোনোদিন’ ,‘নীল সাগর পার হয়ে’, ‘ও সাথীরে, যেওনা কখনো দূরে’ সহ নানা গান।

বেদের মেয়ের জোসনার মতো স্বপ্নের ঠিকানার একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ধনী-গরিবের দ্বন্দ্ব। বরাবরের মতোই এ ধরনের ছবি জনপ্রিয়তা পায়। স্বপ্নের ঠিকানা ছবির কাহিনি সাধারণ হলেও এর গাঁথুনিও ছিলও বেশ ভালো। গল্পের গতি ছিল। ঝরঝরে সংলাপগুলোও ছিল ভালো, অন্তত সেই সময়ের তুলনায়।

আর রাজিব এবং আবুল হায়াতের দ্বন্দ্বটা দেখানো হয়েছে ভালোভাবে। জনপ্রিয় অভিনেত্রী ডলি জহুরের সাবলীল অভিনয় তখনকার ছবিগুলোর একটা দর্শকপ্রিয় ব্যাপারতো ছিলই।

এ ছাড়া স্বপ্নের ঠিকানা একটি গতানুগতিক ছবিই ছিল। আলাদা বা নতুনত্ব বলতে ওই ৩৫ এমএম আর এনিমেশন টাইটেল। কিন্তু গতানুগতিকের মাঝেও প্রতিটি বিষয় তৈরির সময় বেশ যত্ন সহকারে করা হয়েছিল। এদিকে স্মৃতি হারানোর ব্যাপারটা হয়তো উত্তম সুচিত্রার সাগরিকা ছবির সঙ্গে মিলে যায়। তবে এ ছবির মাধ্যমে সালমান শাহ দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন পেতে নেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে