লিপস্টিকের আড়ালে কান্না লুকিয়ে থাকে: সাবা

প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২০; সময়: ১২:৪৪ অপরাহ্ণ |
খবর > বিনোদন
Share This

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : মহামারী করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় থমকে গেছে বিশ্ব। এর প্রকোপ পড়েছে বাংলাদেশেও। দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। দেশের এমন পরিস্থিতিতে থমকে গেছে শোবিজ অঙ্গনও। যার কারণে সব তারকারাই এখন গৃহবন্দী হয়ে সময় কাটাচ্ছেন।

তবে এই সময়ে বসে নেই জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহানা সাবা। যৌথভাবে পরিচালনা করছেন অনলাইন সিরিজ এবং আয়োজন করেছেন অনলাইন আড্ডার। সাবার অনলাই সিরিজের মধ্যে নয়নতারা হাউজিং লিমিটেড’ এর ইতোমধ্যেই সাতটি পর্ব প্রচারিত হয়েছে।

‘নয়নতারা’ সম্পর্কে সাবা বলেন- আমি, শাওন আপু, চুমকি আপুসহ আমাদের একটা গ্রুপ আছে। এপ্রিলের শুরুর দিকে আমরা ইনবক্সে কথা বলছিলাম, ঘরে বসে কিছু করা যায় কি না। সেটা ভেবেই নয়নতারা হাউজিংয়ের প্রথম পর্ব ‘টমেটো’ নির্মাণের ভাবনা মাথায় আসে। অনেক বিষয় চিন্তাভাবনা করে সাত-আট দিনেই স্ক্রিপ্টটা কমপ্লিট করে সবাইকে দিলাম। টমেটো করার সময়, ভাবলাম যে সামনে তো পহেলা বৈশাখ। বৈশাখকে মাথায় রেখে কিছু করা যায় কি না। এরপর ‘এসো হে বৈশাখ’ নামের পর্বটা বানানো। এমন করেই সাতটি পর্ব আমরা নির্মাণ করে ফেলেছি।

তাদের এই কাজে রয়েছে অনেক সীমাবদ্ধতা। এ ব্যপারে সোহানা সাবা বলেন- মানুষ মনে করে আমরা শিল্পীরা স্বপ্নের রাজ্যে বসবাস করি, প্রচুর টাকা আমাদের। কিন্তু প্রকৃত অবস্থা তা নয়। শিল্পীরা প্রতিদিনই লিপস্টিক মেখে বিভিন্ন জায়গায় আড্ডার অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে, হাসছে সে হাসার মাঝেও যে কান্না লুকিয়ে আছে এটি পরিষ্কার করাই আমার মূল উদ্দেশ্য। শুধু তাই নয়, কভিড-১৯ এর কারণে বিরক্ত না হয়ে কীভাবে নিজেকে ভালো রাখা যায় সেই গল্পটাও আমি ‘আড্ডা উইথ সোহানা সাবা’য় তুলে ধরছি।

এদিকে ঘরের ভেতর লাইভ বা শুটিং করার কারণে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন সাবা। তিনি বলেন, যেহেতু ঘরে বসে লাইভ করছি, শুটিং করছি। ফলে আমার ঘরের ভেতরে কী আছে সেটা দর্শকরা জেনে যাচ্ছে। পারসোনাল লাইফটা অনেকাংশে উন্মুক্ত হয়ে যাচ্ছে। আবার আমি কী করছি সেটা আমার পরিবারের সদস্যরাও জেনে যাচ্ছেন।

লকডাউন শেষ হলেই আবারো শুটিংয়ে ফেরার কথা ভাবছেন সাবা। তিনি বলেন, দুই মাস ধরে ঘরে বসে আছি। এভাবে কতদিন আর বসে থাকতে পারব। কাজে ফিরতেই হবে।

Leave a comment

উপরে