ইউপি নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২১; সময়: ১২:০৪ am |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। ইসি বলছে, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে সেপ্টেম্বর মাসে সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে। পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান জনপ্রতিনিধিরাই ইউনিয়নগুলোর দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন, এমন নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে স্থানীয় সরকারের বিভাগ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরেই দেশে সবচেয়ে বড় নির্বাচন-ইউনিয়ন পরিষদের ভোট। সবশেষ ২০১৬ সালের প্রথম দিকে ৫ ধাপে অনুষ্ঠিত হয় সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ৪ হাজার ১শ‘টির বেশি ইউপিতে ভোট আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এরইমধ্যে প্রথম ধাপে গত ২১ জনু ২০৪টি ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন করে ইসি।

গেল কয়েকদিনে আশঙ্কাজনকহারে করোনা সংক্রমণ বাড়ায়, বাকি প্রায় ৪ হাজার ইউপির নির্বাচন স্থগিত রাখতে কমিশনকে চিঠি দিচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন, এই মুহূর্তে নির্বাচন করার মতো পরিস্থিতি নাই। কারণ নির্বাচন করতে গেলে জনসমাগম হয়।

যেখানে সরকার কঠোর লকডাউনের দিকে যাচ্ছে এবং জনসমাগম না করার বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সেখানে সরকারের আদেশ-নির্দেশের বাইরে গিয়ে আমরা এটা করতে পারবো না।

নির্বাচন কমিশনও বলছে, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগে, কোনো ইউপিতেই ভোটের আয়োজন করা হবে না। নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, করোনার ঊর্ধ্বগতির জন্য নির্বাচন কমিশন এই মুহূর্তে নির্বাচন দেয়ার বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে না। তবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেপ্টেম্বর থেকেই তফসিল ঘোষণার যে কার্যক্রম সেটা কার্যকর হবে।

সিটি করপোরশন কিংবা পৌরসভায় সময়মত নির্বাচন না হলে প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার বিধান রয়েছে। তবে ইউপির ক্ষেত্রে এ ধরণের কোনো স্পষ্ট বিধান নেই। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব জানান, ভোট না হওয়া পর্যন্ত নির্বাহী আদেশে দায়িত্ব পালন করে যাবেন বর্তমান জনপ্রতিনিধিরা।

হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন, সিটি কর্পোরেশনের মেয়াদ শেষ হলে প্রশাসক নিয়োগ করা যায়। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে সে রকম প্রশাসক নিয়োগ করার কোনো বিধান নেই। এই অসুবিধা দূর করার জন্যে একটা আদেশ দিয়ে বর্তমানে যিনি প্রতিনিধিত্ব করছেন তার মাধ্যমে কাজ চালিয়ে নিতে পারি। ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়াও স্থানীয় সরকারের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচনও আপাতত স্থগিত থাকবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে