জ্বালানি তেল সংগ্রহে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দেবে আইডিবি

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২০; সময়: ১২:০১ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে পেট্রোবাংলাকে ৩০ কোটি ডলার ঋণ সহয়োগিতা দেবে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইডিবি)।

এ বিষয়ে জেদ্দা ভিত্তিক বাণিজ্য অর্থায়ন সংস্থা আইডিবির সহযোগী সংগঠন ইসলামিক ট্রেড ফিনান্স করপোরেশন (আইটিএফসি) খসড়া নোটিশ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অর্থ সচিব আবদুর রউফ তালুকদারকে সম্প্রতি একটি চিঠি দিয়েছেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান শামসুর রহমান।অর্থবিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থবিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, জ্বালানি তেলের চাহিদা কমে যাওয়ায় সরকার আমদানির জন্য আইটিএফসি থেকে ঋণের চাহিদা কমিয়েছে। পেট্রোবাংলা আইটিএফসি থেকে ৮০ কোটি ডলারের পরিবর্তে ৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার ঋণ নেবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মতে, করোনার কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে দেশব্যাপী বন্ধের ফলে জ্বালানির চাহিদা প্রতিদিনের ১৮ হাজার মেট্রিক টন থেকে ৬ হাজার মেট্রিক টনে নেমেছে।

বর্তমানে সারা পৃথিবীজুড়ে বেশিরভাগ বিমান সংস্থা ও অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ রয়েছে, গাড়িচালকরা করোনাভাইরাস মহামারিজনিত কারণে রাস্তায় নামছে না। স্বাভাবিক ভাবে জ্বালানি তেলের চাহিদা গত মার্চ থেকে যে কমেছে তার আর উন্নতি হয়নি।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের চিঠিটি দেশে বিদেশি মুদ্রার ওপর চাপ কমানোর কথা বলেছেন।

এ বছর জ্বালানি আমদানির জন্য সরকার আইটিএফসি-র সঙ্গে ১০০ কোটি ডলার ঋণ চুক্তি করেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকার প্রথমে ৮০ কোটি ডলার ঋণ নেবে যা ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে অনমনীয় ঋণ সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটি অনুমোদন দিয়েছিল। এ ঋণের সুদের হার ৪.০৫ শতাংশ।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আইটিএফসি সাধারণত ছয় মাসের মেয়াদে ৪.০৫ শতাংশ সুদ নেয়। তবে আগামী বছর থেকে সংস্থাটি সুদের হার ৪.০৫ শতাংশ থেকে নামিয়ে আনবে।

জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির জন্য দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব ভিত্তিক আইটিএফসি থেকে ঋণ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

ইতোমধ্যে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জ্বালানি সরবরাহের জন্য ১২০ কোটি ডলারের চাহিদা জানিয়েছে সরকারের কাছে। প্রতি বছর জ্বালানি তেল আমদানি করতে প্রয়োজন হয় দুই থেকে তিন হাজার কোটি ডলার।

বাংলাদেশে বার্ষিক ৬০০ লাখ টন জ্বালানির চাহিদা রয়েছে। দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লি. বছরে ১৫ লাখ টন তেল পরিশোধন করে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বাকি ৪৫ লাখ টন আমদানি করে।

ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা বাড়াতে যে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে, তাতে ৩০ লাখ টন জ্বালানি তেল পরিশোধন করা সম্ভব। তবে তহবিলের অভাবে প্রকল্পটি বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • ফিনসেন নথি: কালো টাকা পাচারে জড়িত এইচএসবিসি, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড, বার্কলেইস -সহ বিশ্বের শীর্ষ ব্যাংকগুলো
  • কাঁচা পাট রপ্তানি বহাল এবং শুল্ক আরোপ না করার দাবি
  • পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার
  • বাংলাদেশকে আট লাখ ৮১ হাজার ডলার দেবে হংকং
  • হু হু করে কমছে পেঁয়াজের দাম
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি কতটুকু উন্নত?
  • তিন অর্থবছরে ২২৫৬.৭ বিলিয়ন টাকা ঋণের সুদ হিসাবে পরিশোধ করবে সরকার
  • বন্দরে ঢোকার অপেক্ষায় নষ্ট হচ্ছে ২শ’ ট্রাক পেঁয়াজ
  • পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে
  • ফের সোনার দাম বাড়ল
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ
  • পেঁয়াজ ইস্যুতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুতপ্ত
  • বন্ধ পাটকল শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ শুরু
  • রাবির উন্নয়নে ১৪৭ কোটি টাকা বরাদ্দ
  • বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬.৮ শতাংশ হবে: এডিবি
  • উপরে