সম্রাটের মুক্তিতে বাধা নেই

প্রকাশিত: মে ১১, ২০২২; সময়: ১২:১৯ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের জামিন আবেদন তিনটি শর্ত দিয়ে মঞ্জুর করেছেন আদালত। সম্রাটের বিরুদ্ধে আর কোন মামলা না থাকায় মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

বুধবার (১১ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এদিন সম্রাটের পক্ষে জামিন শুনানি করেন মাহবুবুল আলম দুলাল, হাবিবুর রহমানসহ প্রমুখ ।

দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন ১০ হাজার টাকার মুচলেকায় জামিনের আদেশ দেন। এই মামলায় জামিন হওয়াতে সম্রাটে মুক্তি পেতে আর কোন বাঁধা থাকলো না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা।

সম্রাটের পক্ষের মো. হাবিবুর রহমান জানান, তিনটা শর্তে সম্রাটের দুদুকের মামলায় জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। শর্তগুলো হচ্ছে, অসুস্থতা বিবেচনায়, বিদেশে যাওয়া না শর্তে এবং প্রতিটি ধার্য তারিখে হাজিরা শর্তে জামিন দিয়েছেন আদালত।

সম্রাটের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা চারটি হলো- অস্ত্র, মাদক, অর্থপাচার এবং দুদকের দায়ের করা মামলা। বর্তমান সব মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল সম্রাটের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন এবং অস্ত্র মামলায় দ্বিতীয় অতিরিক্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফয়সল আতিক বিন কাদেরের আদালত থেকে জামিন পান। পরদিন মাদক মামলায় ঢাকার ৭ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখারের আদালত থেকে জামিন পান তিনি।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর মামলাটি তদন্ত করে সম্রাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপ পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেফতার করে র্যাব। পরে তাকে নিয়ে দুপুর দেড়টার দিকে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এসময় ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, পিস্তল ও বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীর চামড়া উদ্ধার করা হয়।

পরে বন্যপ্রাণীর চামড়া রাখার দায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওই দিনই রাত পৌনে ৯টার দিকে সম্রাটকে কারাগারে নেওয়া হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে